মেইন ম্যেনু

নির্ধারিত স্থানের বাইরে পশুর হাট বসলে কঠোর ব্যবস্থা

ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, কোনো রাস্তার ওপর পশুর হাট বসতে দেয়া হবে না। কোরবানির পশুবোঝাই ট্রাক রাস্তায় দাঁড় করিয়ে পশু নামানো যাবে না। ট্রাফিক ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বুধবার ডিএমপি হেড কোয়ার্টার্সে আয়োজিত ‘ঈদ জামাত ও ঈদ-পরবর্তী ৭ দিনের নিরাপত্তা ও আইন-শৃংখলা রক্ষা ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা’ সংক্রান্ত এক সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকায় কোরবানির পশু হাটের ইজারা আদায়কারীদের উদ্দেশ্যে কমিশনার বলেন, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত জায়গা ব্যতীত কোথাও পশুর হাট বসতে দেয়া হবে না। যদি কোনো ইজারাদার পশুবোঝাই গাড়ি নির্দিষ্ট গন্তব্য ছাড়া জোরপূর্বক অন্য কোনো পশু হাটে নামায়, সে সমস্ত ইজারাদারকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

এছাড়া ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা মহানগরীর শপিংমলকেন্দ্রিক নিরাপত্তা, কোরবানির পশুর হাটকেন্দ্রিক নিরাপত্তা, পশুর হাটে মানি এস্কর্ট, গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ব্যবস্থাপনা, সান্ধ্যকালীন ব্যাংকের নিরাপত্তা, বাস টার্মিনাল, লঞ্চ টার্মিনাল ও রেলওয়ে স্টেশনকেন্দ্রিক নিরাপত্তা, কাঁচা চামড়া পাচার রোধে চেকপোস্ট ব্যবস্থার বিষয়ে সভায় আলোচনা করা হয়।

ট্রাফিক ব্যবস্থা সুষ্ঠু রাখতে এবং কোরবানি পশুর হাটকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে কমিশনার সভায় কয়েকটি নির্দেশনা দেন। সেগুলো হলো-

১) নির্ধারিত সময়ের পূর্বে কোরবানির পশু হাটে নিয়ে আসা যাবে না।
২) সিটি কর্পোরেশন এবং জেলা প্রশাসক কর্তৃক নির্ধারিত চৌহদ্দীর বাইরে পশুর হাট বসানো যাবে না।
৩) রাত্রিকালীন ছবি ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন সিসিটিভি স্থাপন।
৪) জালনোট শনাক্তকরণের জন্য বুথ স্থাপন।
৫) সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক নির্ধারিত হারের বেশি হাসিল রাখা যাবে না এবং নির্ধারিত হাসিলের তালিকা বড় করে ব্যানারে প্রকাশ্য স্থানে লাগাতে হবে।
৬) পশুর হাটে জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখা।
৭) পশুর হাটে ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা।
৮) পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা।
৯) জোর করে কোরবানির পশু হাটে নামাবেন না।

ডিএমপি জানায়, এবার ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা মহানগরীতে মোট ২২টি কোরবানির পশুর হাট বসছে। এর মধ্যে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দক্ষিণে বরাদ্দকৃত পশু হাটের সংখ্যা ১৪টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে রয়েছে ৮টি পশুর হাট।






মন্তব্য চালু নেই