মেইন ম্যেনু

নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংসে নেতৃত্ব দিচ্ছে ইসি

নির্বাচন কমিশন নিজেকে সরকারের অনুগত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে জনগণের ভোটাধিকার ও সমগ্র নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংসে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

সাংবিধানিকভাবে একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসাবে নিজের ক্ষমতার ৫ শতাংশও কাজে লাগায়নি নির্বাচন কমিশন। এখানে নির্বাচন কমিশনের অন্য কোনো এজেন্ডা আছে কিনা সেটি খতিয়ে দেখা দরকার।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, নির্বাচনী ব্যবস্থা ও স্থানীয় সরকারের ভবিষ্যত’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি সভাপতি সাইফুল হক।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের দুই পর্বের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে শিশু, মহিলা, পুরুষসহ ৪০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে সহস্রাধিক, যাদের অনেকেই পঙ্গু হয়ে যাবে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী চার পর্বের নির্বাচনে আরো বহু মানুষ প্রাণ হারাবে এবং আহত হবে।

মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘ইলেকশন ব্যতিত প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিকল্প পদ্ধতি আমাদের কাছে নেই। ইলেকশন একটি সভ্য পদ্ধতি। কিন্তু এই পদ্ধতি যখন খারাপ মানুষদের দ্বারা ঘেরাও হয়ে যায়, তখন আর ভালো ফলাফল আসবে কি করে।

সভায় অংশ নিয়ে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী বলেন, ইউপি নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রতিনিধিত্ব আগেও কখনো কায়েম হয়নি। বর্তমান সরকারের আমলে ক্ষমতাসীনদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার একটি প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি বলেন, নির্বাচন বর্জন না করে আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, নির্বাচনে অংশগ্রহন করে নির্বাচনী ব্যবস্থার অগণতান্ত্রিক চরিত্র উন্মোচন করা। এই নির্বাচন কমিশনের কাছে আমাদের আশা করার কিছু নেই। আওয়ামী লীগ তাদের ক্ষমতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়। এজন্যই এমন নির্বাচনী ব্যবস্থা কায়েম করা হচ্ছে।

জোনায়েদ সাকী বলেন, সকল অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনগণকে একত্রিত করতে হলে আমাদের একটি নূন্যতম লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। সেটি করতে না পারলে জনগণ কেন একত্রিত হবে?

মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, গণতান্ত্রীক বাম মোর্চার সমন্বয়ক অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, নাগরিক ঐক্যের ইফতেখার আহমেদ বাবু, লেখক ও সংবাদিক সোহরাব হাসান, অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই