মেইন ম্যেনু

নির্বাচনে হত্যার দায় ইসিকে নিতে হবে: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বর্তমান সরকারের আমলে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যত হত্যা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে তার দায় নির্বাচন কমিশনকেই (ইসি) নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

দ্বিতীয় দফা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের সহিংসতা ও হত্যার চিত্র তুলে ধরে রুহুল কবির রিজভী বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও ইউপি নির্বাচনের সব হত্যাকাণ্ডের দায়ভার ইসিকে নিতে হবে। কারণ এই নির্বাচন কমিশনার একজন ‘খুনি কমিশনার’। খুনিদের মদদ দাতা। তার কারণেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে খুন ও সহিংসতার ঘটনা ঘটছে।

ইউপি নির্বাচন বিএনপি বর্জন করবে কি – এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি এবং নির্বাচন আছি। তবে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন করতে চাই। কিন্তু বর্তমানে একজন ভণ্ড নির্বাচন কমিশনার রয়েছেন। যার অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।

রিজভী অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশনার চাকরি রক্ষা করতে কাজ করছেন। এর ফলে নির্বাচন কমিশনার দেশের সব নির্বাচনে গণতন্ত্রকে পাথর চাপা দিয়ে সরকারের পক্ষ হয়ে কাজ করেছেন।

সারাদেশের ইউপি নির্বাচনের পরিস্থিতি তুলে ধরে বিএনপির নবনির্বাচিত সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ভোটের আগের রাতেই ক্ষমতাসীনরা অস্ত্রেরমুখে ভোটকেন্দ্রগুলো দখল করেছে। একই সঙ্গে তারা ভোটের আগেই দিন রাতেই ব্যালট পেপারে সিল মেরে বাক্স ভর্তি করে ফেলেছে। এতে প্রশাসন প্রত্যক্ষভাবে তাদের সহযোগিতা করেছেন।

মুন্সীগঞ্জে পুলিশে ব্যালট পেপারে সিল মেরে বাক্স ভরেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এর ভিডিও বিএনপির হাতে আছে বলে দাবি করেছেন এই বিএনপি নেতা।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, আজ সকালে ভোটকেন্দ্রে ভোটারা ভোট দিলে গেলে ব্যালট পেপার না দিয়ে তাদের হুমকি ও ভয় দেখানো হচ্ছে। তাদের দলীয় ছয়জন গুলিবিদ্ধ সহ অসংখ্য নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। খুনের ঘটনা ঘটেছে। বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করলেও তারা ‘প্রশাসন’ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

ভোটাধিকার হরণ করার দায়ে নির্বাচন কমিশনার ‘কাজী রকিবউদ্দিন আহমদ’ জনগণের ঘেরাওয়ের মুখে পড়বেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির দপ্তর সহসম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি, শামীমুর রহমান শামীম, আসাদুল করিম শাহীন প্রমুখ ছিলেন।






মন্তব্য চালু নেই