মেইন ম্যেনু

নির্বাচন নিয়ে আদালতের পর্যালোচনা অপ্রাসঙ্গিক

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, সরকারের কাজ সরকার করবে, সুপ্রীম কোট বা হাইকোর্টের কাজ হাইকোর্ট করবে। তাদের কাজ হচ্ছে যদি কোন আইন আমরা পাস করি তা সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক কিনা তা নিয়ে কাজ করবে। তাই দুঃখের সাথেই বলতে হয় এটি প্রাসঙ্গিক না।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ইন্সটিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু একাডেমির আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ দাবি করেন।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, আদালততো আর উপন্যাস লেখার জায়গা না। গল্প লেখারও জায়গা না আপনারা ল’পয়েন্ট নির্ধারণ করবেন এটা বৈধ না অবৈধ, সাংবিধানিক না অসাংবিধানিক, গণতান্ত্রিক না অগণতান্ত্রিক। উনারা আবার পর্যালোচনা দেবেন।

‘খবর আছে এই সরকারের পতন হবে’ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কিসের ভিত্তিতে এমন কথা বলেছেন তা জানতে চেয়েছেন আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতা।

তিনি বলেন, খালেদার কথাতো আর হালকা ভাবে নেওয়া যায় না। কারণ উনি অনেকবারের প্রধানমন্ত্রী। তিনি যে বললেন তার কাছে খবর আছে দুই এক মাসের মধ্যে সরকারের পতন হবে। উনি কিসের ভিত্তিতে বললেন? সামনে কি কোন নির্বাচন আছে?

সুরঞ্জিত বলেন, যে কোন সরকার পরিবর্তন হয় একটি নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের নির্বাচনের মাধ্যমে। আর একটি পরিবর্তন হতে পারে বিশাল একটি আন্দোলন বা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। কোন আন্দোলন কি আছে? উনারই (খালেদা) তো কোন আন্দোলনের খবর নাই। তাহলে উনি কি করে বলেন উনার কাছে খবর আছে?

তিনি বলেন, সরকারের তো অনেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য আছেন যাদের বক্তব্যে থাকা যায় না। আপনারা তো আছেন তাকে (খালেদা) জিজ্ঞাসা করুন যে আপনি খবর কোথা থেকে পেলেন? কিভাবে পেলেন? কি খবর? জিজ্ঞাসাবাদ করে তার কাছ থেকে নেওয়া প্রয়োজন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলব তাকে অবিলম্বে জিজ্ঞাসাবাদ করুন। উদ্বিগ্ন নাগরিক সমাজের সংবিধান কমিশন গঠন প্রস্তাবের সমালোচনা করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি।

প্রবীণ এই সংসদ সদস্য বলেন, আপনারা এতদিন কোথায় ছিলেন? ৩৫ বছর এ দেশে সামরিক সংবিধান চলেছে, ৭৫-এ বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে আর আমরা পঞ্চম সংশোধনী না আনা পর্যন্ত যে সংবিধান ছিল এটাতো সামরিক সংবিধান ছিল। বেআইনী সংবিধান ছিল। কই শুনি নাইতো আপনাদের একটা কথা বলতে। আর এখন যা সংবিধান আছে তা হলো ৭২-এর সংবিধান। গণপরিষদ যেটা পাস করেছিল ওইটা আমরা ফেরত নিয়ে এসেছি।

তিনি বলেন, তবে এই নাগরিক সমাজ কি কথা বলেন? তারা কারা এবং কাদের প্রতিনিধিত্ব করেন? তা পরিস্কার করে বলেন।

সংগঠনের সহ-সভাপতি চিত্তরঞ্জন দাশের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিম, সাম্যবাদী দলের নেতা হারুন চৌধুরী প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই