মেইন ম্যেনু

নিহত সন্ত্রাসীদের একজন এই নিবরাস?

গুলশানে রেস্তোরাঁয় তাণ্ডব চালানো ৫ জঙ্গির লাশের ছবি প্রকাশ করেছে পুলিশ। এরও এক ঘণ্টা আগে তাদের আইএসের পতাকার সামনে ‘পোজ’ দেয়া ছবি প্রকাশ করে বিতর্কিত ওয়েবসাইট ‘সাইট ইন্টেলিজেন্স’। সেই ছবির সঙ্গে এক যুবকের চেহারার মিল দেখা গেছে ঢাকার এক যুবকের।

তার ফেসবুক বন্ধুরাই এ তথ্য ‘নিশ্চিত’ করেছেন। তারা বলছেন, এই যুবকই নিহতদের মধ্যে একজন। তবে তার পরিবার কিংবা বিশ্বস্ত কোনো সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি যে নিহতদের মধ্যে এই যুবকও ছিলো কিনা।

ফেসবুকে অনেকে সাইটে প্রকাশিত ছবির পাশে যুবকের ফেসবুকে টাইমলাইন থেকে নেয়া ছবি পাশাপাশি দিয়ে স্ট্যাটাসও দিয়েছেন। তাদের তথ্য যদি সত্য হয়, তাহলে ফেসবুক প্রোফাইল অনুযায়ী ওই যুবকের নাম নিবরাস ইসলাম। ফেসুবকে তিনি নিজেকে মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ বলে পরিচয় দিয়েছেন। তিনি এর আগে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনাও করেছেন। এর আগে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন।

এদিকে হামলাকারীদের পাঁচজনই চিহ্নিত জঙ্গি বলে আইজিপি একেএম শহীদুল হক জানিয়েছেন। পুলিশ তাদের খুঁজছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার গুলশানে ওই হামলায় নিহত পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. রবিউল করিম ও বানানী থানার ওসি সালাউদ্দীন খানের জানাজা শেষে পুলিশ প্রধান একথা বলেন।

শুক্রবার (১ জুলাই) রাতে গুলশান ২ নম্বরের হলি আর্টিজেন বেকারিতে একদল অস্ত্রধারী ঢুকে বিদেশিসহ বেশ কয়েকজনকে জিম্মি করে। সকালে কমান্ডো অভিযান চালিয়ে ওই রেস্তোরাঁর নিয়ন্ত্রণ নেয় নিরাপত্তা বাহিনী।

এ সময় ১৩ জন জিম্মিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। বের করা হয় ২০টি মৃতদেহ, যাদের অধিকাংশই বিদেশি নাগরিক।

এ সময় কমান্ডোদের গুলিতে ছয় জঙ্গি নিহত এবং সেখান থেকে এক হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন।

তবে আইজিপি বলেছেন, ‘অভিযানে নিহত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজন নিশ্চিত জঙ্গি এবং এদের আমরা দীর্ঘ দিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় খুঁজছি।’

তবে তাদের পরিচয় প্রকাশ করেননি শহীদুল হক।






মন্তব্য চালু নেই