মেইন ম্যেনু

নিয়ান্ডারথাল বিলুপ্ত করা সেই আগ্নেয়গিরি আবার জাগছে

আদি মানব নিয়ান্ডারথাল একসময় পৃথিবীতে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যেই বসবাস করত। কিন্তু পরবর্তীতে তারা পৃথিবী থেকে ধ্বংস হয়ে যায়।

এ ধ্বংসের পেছনে ইতালির একটি আগ্নেয়গিরিকে দায়ী করেন অনেক গবেষক। আর উদ্বেগের খবর হলো, সে আগ্নেয়গিরিটি আবার জেগে উঠছে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।

ইটালির সে আগ্নেয়গিরিটির নাম ক্যাম্পি ফ্লেগরেই। প্রায় সাড়ে সাত মাইল চওড়া এর জ্বালামুখ। তবে এখনও সুপ্ত বা ঘুমন্ত অবস্থায় থাকায় এর তেমন কোনো কার্যক্রম নেই।

৩৯ হাজার বছর আগে এ আগ্নেয়গিরিটির বড়ধরনের অগ্নুৎপাত হয়েছিল। এরপর থেকে এটি একরকম ঘুমন্ত অবস্থাতেই রয়েছে। সর্বশেষ অগ্নুৎপাতের সময় আগ্নেয়গিরিটি দুই লাখ বছরের রেকর্ড পাল্টে দিয়েছিল।

তবে ৩৫ হাজার বছর আগে ও ১২ হাজার বছর আগে একবার করে ছোট আকারে অগ্নুৎপাত হয়েছিল আগ্নেয়গিরিটির। এ ছাড়া ১৫৩৮ সালেও আরেকবার এখান থেকে সামান্য অগ্নুৎপাত হয়েছিল। যার ফলে আগ্নেয়গিরিটি এখনও বেশ শক্তি সঞ্চয় করে রেখেছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি এ আগ্নেয়গিরিটি আবার জেগে ওঠার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে যে লক্ষণগুলো আগ্নেয়গিরি জেগে ওঠার বিষয়টি প্রকাশ করে (যেমন ঘন ঘন ভূমিকম্প) তা দেখা যাচ্ছে।

গবেষকরা সম্প্রতি এ আগ্নেয়গিরিটি পর্যবেক্ষণের জন্য উদ্যোগী হয়েছেন। বিভিন্ন লক্ষণে বোঝা যাচ্ছে এটি যেকোনো মুহূর্তে জেগে উঠতে পারে। আর এ জন্য নিকটবর্তী নেপলসের অধিবাসীদেরও নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। যেকোনো সময় আগ্নেয়গিরিটি বিপজ্জনক হয়ে উঠলে অধিবাসীদের যেন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া যায় সে জন্য প্রস্ততি নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তারা।

তবে এ ধরনের বিশাল আগ্নেয়গিরি জেগে উঠলে শুধু যে নিকটবর্তী এলাকার ক্ষতি করে তা নয়। এ ধরনের আগ্নেয়গিরি বিশাল এলাকার আকাশ ধোঁয়ায় ঢেকে দেয়। এতে গাছপালার বৃদ্ধি পর্যন্ত ব্যাহত হয়। ফলে খাদ্যাভাবেও বহু প্রাণী মারা যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ঠিক সে ধরনের পরিস্থিতিতেই পৃথিবী থেকে নিয়ান্ডারথাল বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। এ পরিস্থিতি আবার যেন না হয় সে জন্য সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকরা।






মন্তব্য চালু নেই