মেইন ম্যেনু

নেতাকর্মীদের বিশৃঙ্খলা এড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পৌরসভা নির্বাচনে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এড়াতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে সবধরনের সহযোগিতা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে কেউ কেউ উস্কানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন। তাদের বক্তব্যে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। এছাড়াও নির্বাচনকে কেন্দ্র নেতাকর্মীদের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড না করার আহ্বান জানাচ্ছি।

‘পৌর নির্বাচনে বিএনপি নেতাকর্মীদের আটক করা হচ্ছে’ এমন অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন। তাদের এই অভিযোগ নতুন কিছু নয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদেরও কিছু কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন। আমাদের দলের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, কেন এদের গ্রেপ্তার করা হলো। কম আর বেশি। নির্বাচন কমিশন আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্বে, তাদের হুকুম অনুযায়ী আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাদের কার্যপ্রণালী চালিয়ে যাচ্ছে, আমাদের কিছু করার নেই, যে সহযোগিতা তারা চাইবে তা করে যাবো।

তিনি বলেন, আমাদের নেতার্কীদের সরকারি দল হিসেবে ধৈর্যধারনের জন্য আমি অনুরোধ করবো, সারা বাংলাদেশে, যাতে করে কোনো প্রকাল বিশৃঙ্খলা না হয়। সরকারি দল হিসেবে আমাদের এখানে ধৈর্যটা বেশি ধরতে হবে, বেশি সহিষ্ণুতা দেখাতে হবে। দলীয় ভিত্তিতে ইলেকশনটা হচ্ছে, কাজেই ইলেকশনটা ভালো হোক সরকার চায়।

পৌর নির্বাচনে এ পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ট্রাজেডি ঘটেনি দাবি করে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশনের অবস্থা এমন যে তারা দু’দিক থেকেই অভিযোগের সম্মুখীন হন। বিরোধী দল তো করেই, বিএনপি একটা বড় দল তারাও করছে, এদিকে আওয়ামী লীগেরও বিভিন্ন জায়গায় কিছ কিছু অভিযোগ আসছে। সব অভিযোগের মধ্যেও সরকারের পক্ষে এটুকু বলতে চাই অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে তাদের ভূমিকা পালনে সরকারের পক্ষে যতটুকু সহযোগিতা, সমর্থন করা দরকার, দিয়ে আসছি, শেষ পর্যন্ত দিয়ে যাবো।

দীর্ঘ দিন পর ধানের শীষ এবং নৌকার মধ্যে প্রতিযোগিতা হচ্ছে, সরকার বিএনপির আস্থা ফিরিয়ে দিতে পারবে কিনা- প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এর আগে একসঙ্গে ৭/৮টি সিটি নির্বাচনে আমরা হেরেছিলাম, তখন কিন্তু সরকারের ওপর আকাশ ভেঙে পড়েনি। এখনও স্থানীয় সরকারের আংশিক নির্বোচনে হেরে গেলে সরকারের ওপর আকাশ ভেঙে পড়বে, এমন কোনো বিষয় নয়, সরকারের পতন হবে না। কাজেই আমরা কেন দেশে-বিদেশে আমাদের ইমেজ ক্ষুণ্ন করবো?






মন্তব্য চালু নেই