মেইন ম্যেনু

পড়তে না পেরে অভিভাবকদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করলেন কিশোরী

বাবার মৃত্যুর পর মায়ের দ্বিতীয় বিয়েতে কোনও আপত্তি করেনি সে৷ শুধু চেয়েছিল নতুন বাবা যেন তাকে ভাল স্কুলে পড়ার সুযোগ দেয়৷ কিন্তু বিয়ের পরই সব পাল্টে যায়৷ স্কুলে পড়াতে পারবে না জানিয়ে দেন বাবা৷ তাই পুলিশের কাছে অভিভাবকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে বেঙ্গালুরুর এই নাবালিকা৷

মাত্র দশ বছর বয়সে বাবাকে হারিয়ে ভাল স্কুলে পড়ার স্বপ্ন ভেঙে যায় নন্দিনীর৷ মা দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে চাইলে কোনও নিষেধ করেনি সে৷ বিয়ের আগে তাকে ভাল স্কুলে পড়ানোর কথাও বলেছিলেন ওই ব্যক্তি৷ কিন্তু নন্দিনীর অভিযোগ ২০১৪ সালে বিয়ের পরই কথা রাখেননি তার সৎ বাবা৷ এমনকি স্কুল ড্রেস বা বই কেনার টাকাও দেননি বাবা৷

সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতেই একবার পুলিশের দ্বারস্থ হয় নন্দিনী৷ তার অভিযোগ ছিল পড়াশোনায় পারিবারিক কোনও সাহায্য পাচ্ছে না সে৷ বিশেষ করে, তার লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার বিরোধিতা করছে তার সৎ বাবা৷ পড়াশোনার খরচ চাইলেই তাকে কাজ করে টাকা উপার্জনের কথা বলছেন তিনি৷

এমন স্পর্শকাতর বিষয়ে পুলিশ আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে তার অভিভাবকদের বুঝিয়ে সমস্যা মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করে। কিন্তু তাতে অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে এমনটা নয়৷ ফের পড়াশোনা নিয়ে সৎ বাবার সঙ্গে বচসার জেরে গত সপ্তাহে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় নন্দিনী৷

বেঙ্গালুরুর চিক্কাবল্লপুর স্টেশন থেকে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শিশু সুরক্ষা কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হয়। সেখান থেকেই তাকে পরবর্তীকালে অভিভাবকদের হাতে তুলে দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে৷

আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া হলেও ওই কমিটির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, নন্দিনীর অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে তাকে যেন ভবিষ্যতে এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন না হতে হয় তা নিশ্চিত করা হয়েছে। এবং নন্দিনীও তার বাবা মায়ের কাছে থাকতে রাজি হয়েছে আপাতত।






মন্তব্য চালু নেই