মেইন ম্যেনু

পতিতাপল্লীতে রোবট পতিতা!

নিষিদ্ধ পল্লী বা ব্রোথেলের জন্য বিখ্যাত আমস্টারডাম। রাত বা দিন সর্বক্ষণই সেখানে আদিম কার্যক্রম চলছে।এক্ষেত্রে যৌনতার মাধ্যমে সংক্রামক ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি খুব বেশি। কিন্তু ভাবুন তো সেখানে যদি এক সময় দেখা যায়উত্তেজনা সৃষ্টিকারী ভঙ্গিমায় হেঁটে বেড়াচ্ছে মানুষরূপী রোবট।

অর্থের বিনিময়ে তার পিছনে ছুটছে কোন সুঠাম পুরুষ! হ্যাঁ, এমনটাই হতে যাচ্ছে। আমস্টারডামের নিষিদ্ধ পল্লীতে সত্যি সত্যি দেখা মিলবে সেক্স রোবট। তার নাম রাখা হয়েছে ব্রোথেল।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ওই নিষিদ্ধ পল্লীতে যদি ব্রোথেল চালু করা যায় তাহলে যৌনতা সংক্রান্ত সংক্রামক ব্যাধি ছড়িয়ে পড়তে পারবে না। এমন পরিকল্পনা করেছেন বিজ্ঞানী ইয়ান ইয়েওম্যান ও মিশেল মার্স। তারা বলছেন, ২০৫০ সালের মধ্যে এমনটা বাস্তবে দেখা যাবে। এতে অ্যানড্রোয়েড সেক্স ওয়ার্কার ‘ব্রোথেল’ থাকবে। ফলে মানব পাচার কমে যাবে।

ইয়ান ইয়েওম্যান একজন ভবিষ্যত বিষয়ক বিজ্ঞানী। মিশেল মার্স হলেন ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটনের যৌনতা বিশারদ। তারা দু’জনে লিখেছেন ‘রোবটস, মেন অ্যান্ড সেক্স টুরিজম’। এতেই তারা ২০৫০ সালের আমস্টারডাম পতিতাপল্লীকে কল্পনা করেছেন। এক্ষেত্রে তারা আমস্টারডামের ইয়ুব-ইয়াম পতিতাপল্লীকে কল্পনা করেছেন। এ পতিতাপল্লীটি ২০০৮ সালে বন্ধ হয়ে যায়। এক সময়ে এটি ছিল সেখানকার এক্সক্লুসিভ পতিতাপল্লী।

এতে তারা ইয়ুব-ইয়ামকে এভাবে তুলে ধরেছেন, এখানে ১০০ স্বল্প বসনা রমনী ইতস্তত ঘোরাঘুরি করছে। তাদের পরনে উত্তেজনা সৃষ্টিকারী পোশাক। এখানে প্রবেশ ফি ১০ হাজার ডলার। এর বিনিময়ে সমস্ত রকম ‘সার্ভিস’ পাবেন অতিথি। এর মধ্যে রয়েছে ম্যাসাজ, ল্যাপ ড্যান্স, শারীরিক সম্পর্ক। আরও যা যা চান অতিথি। এ পতিতাপল্লীকে লাইসেন্স দিয়েছে সিটি কাউন্সিল। এখানকার স্টাফরা অতিশয় মানবীয়। কিন্তু তারা মানুষ নয়, অ্যানড্রোয়েড রোবট।

এ দু’ বিজ্ঞানী পতিতাপল্লীর সমস্যা নিয়েও আলোচনা করেছেন। যৌন সংক্রামক ব্যাধি বিশেষ করে এইচআইভির মতো সংক্রমন এখন ভয়াবহ পতিতাপল্লীগুলোতে। তারা বলছেন, যদি পতিতাপল্লীতে ‘ব্রোথেল’কে যুক্ত করা যায় তাহলে এই সংক্রমণের হার কমে যাবে।






মন্তব্য চালু নেই