মেইন ম্যেনু

‘পথের কাঁটা ছিল দুটি- এফবিআই আর পুতিন’

হিলারি ক্লিনটন বলেছেন, মার্কিন নির্বাচনে তিনিই প্রেসিডেন্ট হতেন, যদি দুটি বিষয় পুরো পরিস্থিতিকে পাল্টে না দিত। তাঁর পরাজয়ের জন্য এফবিআই পরিচালক জেমস কমির শেষ সময়ের কথাবার্তা এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনই দায়ী। নিউ ইয়র্কের এক দাতব্য প্রতিষ্ঠানের আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেওয়া এক ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন সব কথা বলেন।

নির্বাচনে পরাজয়ের বিষয়টি নিয়ে এই প্রথম এতটা খোলামেলা কথাবার্তা বললেন হিলারি। এমন এক সময় হিলারি এ নিয়ে কথা বললেন যখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ দিন পার করে ফেলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

অনুষ্ঠানে হিলারি বলেন, নির্বাচনী প্রচারে যা কিছু হয়েছে- ভুল বা সঠিক তার একক দায় তাঁর। তবে এর জন্য ২৮ অক্টোবর জেমস কমির চিঠি এবং রাশিয়ার হস্তক্ষেপকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, এই দুটি বিষয়ই ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছিল। নির্বাচন যদি ২৭ অক্টোবর হতো নিশ্চিত তিনিই প্রেসিডেন্ট হতেন, যদি ওই দুটি বিষয় পুরো পরিস্থিতিকে পাল্টে না দিত।

হিলারি বলেন, এই নির্বাচনের প্রচার নিয়ে একটি বই লেখার কথা ভাবছেন তিনি। এই বইয়ে তথ্য তুলে ধরতে তিনি তাঁর পরাজয়ের কারণ নিয়ে ব্যাপক গবেষণা করছেন।

হিলারি বলেন, তাঁর নির্বাচনী প্রচারাভিযানে চ্যালেঞ্জ, সমস্যা ও ঘাটতি ছিল। তাঁর দাবি, তিনি নির্বাচনে জয়ের পথে ছিলেন। কিন্তু অক্টোবরের ২৮ তারিখে তৎকালীন এফবিআই ডিরেক্টরের চিঠি এবং রাশিয়ার সংশ্লিষ্টতার কারণে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়।

গত বছরের অক্টোবরের ২৮ তারিখে তৎকালীন এফবিআই প্রধান মার্কিন কংগ্রেসকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলেন, হিলারি ক্লিনটনের ব্যক্তিগত ই-মেইলের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

হিলারি বলেন, তাঁর নির্বাচনী প্রচারের শেষ ১০ দিনে সব কিছু পাল্টে যায়। তাঁর বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহে ডেমোক্রেটিক পার্টির ওয়েবসাইট হ্যাক করার আদেশ দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন। এ বিষয়ে হিলারি আরো বলেন, ‘নিঃসন্দেহে পুতিন আমার ভক্তদের মধ্যে কেউ নন। ‘

ট্রাম্প অবশ্য তাৎক্ষণিকভাবে হিলারির এসব অভিযোগের জবাব দিয়েছেন। গত মঙ্গলবার এক টুইট বার্তায় ট্রাম্প বলেন, নির্বাচনে হিলারির পরাজয়কে ন্যায্য প্রমাণ করতে বারবারই রাশিয়া প্রসঙ্গ তুলছে ডেমোক্র্যাট শিবির, যা এখন অর্থহীন।






মন্তব্য চালু নেই