মেইন ম্যেনু

‘পরকীয়া রোগ ছেলের’, আত্মহত্যা বাবার!!

ভোলার চরফ্যাশনে ছেলের একাধিক বিয়ে ও পরকীয়ার কারণে সালিশ বৈঠক হওয়ায় অপমানিত হন বাবা। ছেলেকে সালিশে হাজির করাতে মাতবরদের চাপে লজ্জায় অপমানে রাতে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন আতুল মজুমদার নামে এক ব্যক্তি।

ঘটনাটি সোমবার ভোলার চরফ্যাশন পৌরসভা ৬নং ওয়ার্ডে।

নিহত আতুল মজুমদার চরফ্যাশন পৌর এলাকার ৬নং ওয়ার্ডের রাজবিহারী মজুমদারের ছেলে। অতুল মজুমদারের ছেলের নাম মরন মজুমদার।

চরফ্যাশন থানা পুলিশ অতুল মজুমদারের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ভোলা মর্গে পাঠিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, একাধিক বিয়ে করার ঘটনায় মরন মজুমদারকে নিয়ে এলাকায় বেশ আলোচনা সমালোচনা আছে। এর মধ্যেই তিনি একই এলাকার এক নাবালিকার (১৩) সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এক পর্যায়ে মেয়েটির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত হলে তাদের হাতে নাতে ধরে ফেলে এলাকাবাসী। ঘটনার পরেই সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান মরন মজুমদার।

গত সোমবার ওই ঘটনা নিয়ে স্থানীয় কমিশনার, হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সমন্বয়ে সালিশ বৈঠক বসে। সালিশে নেতৃত্ব দেয়া মাতবররা মরন মজুমদারকে সালিশে হাজির করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন আতুল মজুমদারের ওপর। ছেলেকে হাজির করাতে ব্যর্থ হলে নাবালিকার বাবাকে এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

মাতবরদের চাপে পড়ে লজ্জা, ঘৃণায় রাতেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন অতুল মজুমদার।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক জানান, নিহতের ভাই বেচুরাম বাদী হয়ে থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন। লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই