মেইন ম্যেনু

বেওয়ারিশ হিসেবে সেই ৫ জঙ্গির লাশ দাফন

পরিবারের পক্ষ থেকে ‘লাশ নিতে না চাওয়ায়’ রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলাকারী পাঁচ জঙ্গির লাশ দাফন করা হয়েছে। ঘটনার দুই মাস ২১ দিন পর বৃহস্পতিবার বিকেলে আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে লাশগুলো দাফন করা হয়। একইসঙ্গে ওই সময় নিহত রেস্তোরাঁর পাচক সাইফুল ইসলাম চৌকিদারের লাশও দাফন করা হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) ইউসুফ আলী এ তথ্য জানিয়েছেন।

আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের রাজধানীর কাকরাইলের প্রধান শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম রেজা বলেন, ‘বিকেলে রাজধানীর জুরাইন কবর স্থানে লাশগুলো দাফন করা হয়েছে। এর আগে দুপুরে লাশগুলো বুঝে পায় আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম।’

গত ১ জুলাই রাত পৌনে ৯টায় গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় অস্ত্রধারী জঙ্গিরা হামলা চালিয়ে দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করে।

এ সময় অভিযান চালাতে গিয়ে জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার রবিউল করিম ও বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহউদ্দিন খান নিহত হন।

রাতের বিভিন্ন সময় তিন বাংলাদেশিসহ ২০ জন জিম্মিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা। পরদিন সকালে যৌথ বাহিনী কমান্ডো অভিযান চালায়। এতে পাঁচ হামলাকারী ও রেস্তোরাঁর এক কর্মী নিহত হয়। জীবিত উদ্ধার করা হয় ১৩ জিম্মিকে।

এই ঘটনায় নিহত জঙ্গিরা হলেন মীর সামেহ মোবাশ্বের, রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, নিবরাস ইসলাম, খায়রুল ইসলাম পায়েল ও সফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল।

পাঁচ জঙ্গি ও পাচক সাইফুলের লাশ আজ দুপুরেই ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘর থেকে পুলিশের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। পরে লাশগুলো পুলিশ আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করে।

সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে থাকা অবস্থায়ই পাঁচ জঙ্গি ও পাচকের রক্তের নমুনা একাধিকবার পরীক্ষা করা হয়। তাদের ডিএনএর সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ মিলিয়ে পুলিশ সবার পরিচয় নিশ্চিত করে।






মন্তব্য চালু নেই