মেইন ম্যেনু

পর্নতারকা থেকে লেখিকা হলেন সানি লিওন

পর্নতারকা থেকে হয়েছেন বলিউডের অভিনেত্রী, কিন্তু এবার লেখিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সানি লিওন। তবে তিনি প্রেমের কিংবা হাসির কিংবা বিয়োগান্তক কোন কাল্পনিক কাহিনী লিখছেন না। তার লেখার বিষয়বস্তু সম্পূর্ণই যৌনতা। মানুষের যৌন কামনা নিয়ে রসালো গল্প লিখেছেন তিনি।

জাগারনাট নামের দিল্লির একটি প্রকাশনী গত মাসে সানি লিওনের একটি বই প্রকাশ করেছে। বইটির নাম সুইট ড্রিমস। বইটিতে যৌন কামনা নিয়ে ১২টি রগরগে গল্প রয়েছে।

তবে এই গল্পগুচ্ছকে আক্ষরিক অর্থে বই না বলে অনলাইন বই বলা যেতে পারে। যাতে করে মোবাইল ফোনেই পাঠকরা গল্পগুলো পড়তে পারেন। কিন্তু একটা প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে, আসলে গল্পগুলোর বিষয়বস্তু কি? কি রয়েছে এখানে?

যেমন এখানে একটি গল্প রয়েছে নিউ ইয়র্কের পটভূমিতে । একজন ভারতীয় প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ কিভাবে স্ট্রিপ ক্লাবের (যেখানে নর্তকীরা গানের তালে নাচতে নাচতে নগ্ন হন) এক নর্তকীর সাথে যৌনমিলন করেন সেই গল্প। আরেকটি গল্পে দেখানো হয়েছে সাদাসিধে এক ভারতীয় নারী, যিনি তার মৃত স্বামীর ভূতের সাথে যৌনমিলন করেন।

সানি বিবিসিকে বলছিলেন, ‘লস অ্যাঞ্জেলস কিংবা মুম্বাই যেখানেই সুযোগ পেয়েছি, ল্যাপটপে বসে বসে গল্প লিখেছি। তবে খসড়া তৈরি করতে সময় লেগেছে চার মাস।’

অনেকেই জানেন না সানি লিওনের প্রকৃত নাম কারানজিৎ কর। ক্যানাডায় এক পাঞ্জাবি শিখ পরিবারে বড় হওয়া সানি লিওন স্বীকার করেছেন যে ছোটবেলায় তিনি কোন গল্পের বই পড়েননি। তার ঝোঁক ছিল খেলাধুলা আর ফটোগ্রাফির দিকে।

সানি লিওনের জনপ্রিয়তার সূচনা হয়েছিল যৌনতা দিয়ে। কাজেই তার লেখা গল্পের ধারাও ঐ একই পথে। ভারতে এই জাতীয় গল্প এবং চলচ্চিত্র বিকশিত হচ্ছে। কাজেই এটা হয়তো সানির জন্য যথার্থ সময়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সানি লিওন অত্যন্ত জনপ্রিয়। ফেসবুক, টুইটার এবং ইন্সটাগ্রাম মিলিয়ে তার মোট অনুসারীর সংখ্যা দুই কোটি ২০ লাখ। তার গল্প আর কেউ যদি নাও পড়ে কিন্তু এই বিপুল অনুসারীরা যে লেখিকা সানি লিওনকে আস্বাদ করতে চাইবেন সেটা নিশ্চিত।






মন্তব্য চালু নেই