মেইন ম্যেনু

পর্নোগ্রাফিতে অভিনয়ে পুরুষ পায় ২৫০০, নারী ৫০০০ টাকা

প্রথমে বড় কোনো সিরিয়ালে অভিনয়ের টোপ। এরপর বেশি টাকায় পর্নো ছবির প্রস্তাব। পর্নো ছবিতে কাজ করলে সিরিয়ালে অভিনয়ের সুযোগ নিশ্চিত, এই টোপও দেয়া হত। নারীদের দৈনিক পারিশ্রমিক ৫ হাজার টাকা। পুরুষের পারিশ্রমিক দৈনিক আড়াই হাজার টাকা।

সোমবার ভারতের সল্টলেকের একটি বাড়ি থেকে পর্নোগ্রাফি চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রায় ২৮ জনকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে এমনই তথ্য।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, শহরে এইভাবে পর্নোগ্রাফি শুটিং এবং চক্র বেড়ে ওঠার পিছনে রয়েছে বড়সড় কোনও চক্র। আটকদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, প্রথমে সিরিয়ালের টোপ দিয়ে টানা হয় জুনিয়র আর্টিস্টদের। এরপর নীল বা পর্নো ছবি তৈরি করে ছড়িয়ে দেয়া হত ওয়েবসাইটে।

আটকদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, পর্নোছবি তৈরির জন্য এই চক্রের টার্গেট উঠতি জুনিয়র আর্টিস্টরা।

শুধু কলকাতা নয়। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, দুই চব্বিশ পরগনা, নদিয়া, বীরভূম সহ বিভিন্ন এলাকায় পর্নোগ্রাফির শুটিং করেছে এই চক্র। সল্টলেকের ডিডি ব্লকের এই বাড়িতেও আগে অন্তত দুবার শুটিং হয়েছে। তবে কলকাতার এই চক্রটি শুধু ছবি তৈরির কাজ করত।

জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা গেছে, ১০ থেকে ১৫ মিনিটের ছোট পর্নো ছবি বা সেমি পর্নো তৈরি হত। পাঠানো হত দিল্লির একটি সংস্থাকে। ওই সংস্থাই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছবিগুলি আপলোড করতো। মুনাফা ভাগ হত আধাআধি। এই পর্যন্ত চক্রটি প্রায় ৬০টি পর্নোছবি তৈরি করেছে। চক্রটির সিনেমাটোগ্রাফির লাইসেন্স ছিল না। দিল্লির ওই সংস্থা সম্পর্কে ইতোমধ্যে খোঁজ নিচ্ছেন গোয়েন্দারা। চিঠি দেয়া হয়েছে ওয়েবসাইটগুলোকেও।

গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, ছবি তৈরির পাশাপাশি বাংলাদেশ, নেপালে পর্নো ছবির সিডিও পাচার করা হত। বিধাননগরের গোয়েন্দাদের অনুমান, গোটা চক্রের পিছনে রয়েছেন প্রভাবশালী কোনও ব্যক্তি।

জানা যায়, শুধু ওয়েবসাইট আপলোড নয়। সিডি তৈরি করে বাংলাদেশ, নেপালে পাঠানো হত।






মন্তব্য চালু নেই