মেইন ম্যেনু

‘পর্ন ডিনার’-এ আজব মজা!

পর্ন সংজ্ঞাটাই বদলে দিল দক্ষিণ কোরিয়া। সে দেশের কল্যাণে ইন্টারনেট ছেয়ে গেছে `পর্ন ডিনার`-এ। লোকজন ওয়েবক্যামের সামনে বসে গোগ্রাসে গিলছে, টানা বর্ণনা দিয়ে যাচ্ছে তাদের খাবার আর খাবারের পদ্ধতির। সেই `খাওয়ার আজব মজা` পকেটের পয়সা খরচ করে দেখছে অন্যরা। যে যত বেশি খাবে এবং যাকে বেশি লোকজন বেশি করে দেখবে তার উপার্জন হবে তত বেশি। একজন সুন্দরী পেটুক অবশ্য খাওয়ার লড়াইয়ে ইতিমধ্যেই টেক্কা দিয়েছেন অন্যদের। ইন্টারনেট দুনিয়ায় তিনি এখন রীতিমত তারকা। দিনের বেলা একটি কনসাল্টিং ফার্মে কাজ করেন রাতে এই তরুণী রাত হলেই এক গাদা খাবার দাবার নিয়ে বসে পড়ছেন ওয়েবক্যামের সামনে। গাদা গাদা খাবার গিলছেন। আর লাইভ স্ট্রিমিং সাইট Afreeca TV-তে তাঁকে দেখতে হামলে পড়ছে লোকজন।

রোজ দুটো মিডিয়াম পিজ্জার সঙ্গে আরামসে পেটুক রানি ভক্ষণ করছেন ৩০টা ডিমভাজা। সঙ্গে থাকছে এক বাক্স কাঁকড়াও বা চটজলদি নুডলসের পাঁচটি প্যাকেট। খেতে মাসে মোটামুটি ২,০০০ পাউন্ড খরচা হচ্ছে ওই তরুণীর। কিন্তু খেয়ে ও খাওয়া দেখিয়ে এর অন্তত চারগুণ বেশী পাউন্ড উপার্জন করছেন তিনি।

এত খাবার খেয়েও ওই তরুণী দাবি করেছেন মোটেও তাঁর কোনও ‘ইটিং ডিসঅর্ডার’ নেই এবং তাঁর স্বাস্থ্যও আছে চমৎকার। তবে শুধু এই তন্বী সুন্দরী নয় খেয়ে এবং দেখিয়ে উপার্জন করার তালিকায় দক্ষিণ কোরিয়াতে এখন বেশ কিছু মানুষের নাম উঠে এসেছে।






মন্তব্য চালু নেই