মেইন ম্যেনু

পর্ন দিয়েই ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন এ সকল তারকারা

যদি কোন তারকাকে তার ক্যারিয়ারের শুরুর গল্প বলতে বলা হয়- অনেকেই বলবেন, ‘আমি হলিউডে অভিনেতা হওয়ার জন্যই এখানে আসি। কিন্তু কেউ কোন কাজ দেয়নি, রেস্টুরেন্টে ওয়েটারের কাজও করেছি। আশা ছাড়িনি, অভিনেতা হতেই নিয়মিত চেষ্টা করতাম। বাকিটা সবাই জানেন- সাফল্যের ইতিহাস।’ কিন্তু এমন অনেক তারকাই আছেন যারা হলিউডি হালে পানি পায়নি। হতাশার চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিলেন তারা। কাজ নেই, খাবার নেই, মাথার উপর ছাদ নেই। অভিনেতা কিংবা তারকা হওয়ার বাসনা তখন ফিকে, বেঁচে থাকার তাগিদে টাকা আয় করার পন্থা হিসেবে বেছে নিয়েছেন যেকোন পেশা- অভিনয় করেছেন পর্ন ছবিতে। হলিউডের এমন পাঁচ তারকা-

সিলভার স্ট্যালোন ‘র্যাম্বো’ কিংবা ‘রকি’ ছবির সিরিজের জন্য বিশ্ববাসীর কাছে হারিয়ে গেছে তার নাম- কারো কাছে তিনি র্যাম্বো, কারো কাছে রকি। আন্তর্জাতিক এই সুপারস্টার তার ফিল্ম ক্যারিয়ার শুরু করেছেন ১৯৭০ সালে, ‘দ্য পার্টি অ্যাট কিটি অ্যান্ড স্টুডস’ নামের সফট পর্ন ছবির মাধ্যমে নীল ছবির জগতে বিখ্যাত হয়ে ওঠেন তিনি। মাত্র ২০০ ডলারের বিনিময়ে এ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন স্ট্যালোন। ১৯৭৬ সালে ‘রকি’ ছবিটি মুক্তি পেলে তারকখ্যাতি পেয়ে যান তিনি, সত্যি হয় অভিনেতা কিংবা তারকা হওয়ার স্বপ্ন। ১৯৭৮ সালে ‘প্লেবয়’ ম্যাগাজিনের এক সাক্ষাৎকারে স্ট্যালোন বলেছেন, ‘আমার ক্যারিয়ারে শুরুটা নিয়ে লজ্জিত নই। জীবন আমাকে পর্ন ছবির মাধ্যমেই বেঁচে থাকার সুযোগ দিয়েছে, তাতেই আমি কৃতজ্ঞ। তবে তারকাখ্যাতি পাওয়ার পরে ছবির এক প্রযোজক ব্ল্যাকমেইল করতে চেয়েছিল- পর্ন ছবির তথ্য ১ লাখ ডলারের বিনিময়ে গোপন রাখবেন। আমি তাকেও বলেছি, সূর্যের আলো আড়াল করা যায় না।’

জ্যাকি চ্যান কমেডি অভিনেতা কিংবা মার্শাল আর্ট শিল্পী হিসেবে দুনিয়াজোড়া তার জনপ্রিয়তা- তবুও তিনি তার ক্যারিয়ারের প্রথম পর্ন ফিল্মের জন্য লজ্জিত নন। ২০০৬ সালে প্রকাশিত হয়, প্রায় ৩১ বছর আগে একটি সফট পর্ন ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে জীবনধারণ করেছেন তিনি। ১৯৭৫ সালের এ ছবিটি সম্পর্কে জ্যাকি চ্যান তার সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘আমি বেঁচে থাকার জন্য যেকোন উপায় খুঁজছিলাম। পর্ন ছবির জন্য আমি সত্যিই লজ্জিত নই। কারণ আমি কি, আমি কেমন তা আমার পরিবার ও ভক্তরা জানেন।’

সাশা গ্রে নীল ছবির জগতে সাশা গ্রে নামটি জনপ্রিয়। প্রাপ্ত বয়স্ক না হতেই পর্ন ছবিতে অভিনয় শুরু করেন তিনি। প্রায় ২৭০ টি পর্ন ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। প র্ন ছবির অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের অনেকগুলো পুরস্কারও আছে তার ঝুলিতে। তবে ২০১১ সালে পর্ন ছবি থেকে বিদায় নেন সাশা গ্রে। টেলিভিশনের সিরিয়ালে অভিনয় শুরু করেন- উপস্থাপনা ও ভিডিও গেমসে কণ্ঠ দিয়ে তারকাখ্যাতি অর্জন করেন লাস্যময়ী সাশা।

শু কুই তাইওয়ানের এই অভিনেত্রী হলিউডের বিভিন্ন ছবিতে অনবদ্য অভিনয়ে পাশের বাড়ির মেয়ে হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। ‘ট্রান্সপোর্টার’ ছবিতে তাকে উপেক্ষা করা যায় না। ক্যারিয়ারের শুরুতেই সফট পর্ন ছবিতে অভিনয় করেছেন শু। এমনকি চাইনিজ প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদকন্যাও ছিলেন তিনি।

ডেভিড ডুকোভনি ‘দ্য এক্সফাইলস’ তারকা ডেভিড ছিলেন পর্ন ছবির তারকা- এমন কথা অনেকেই শুনেছেন। তাবে যৌন বিকারের কারণে তিনি নিজেকে রিহ্যাবে আটকে রেখেছিলেন, এ কথা বিশ্বাস করা তার ভক্তদের জন্য কঠিন। নব্বই দশকের মাঝামাঝি সফট পর্ন সিরিজের নায়ক ছিলেন তিনি- এমনকি সিরিজটি উপস্থাপনাও করতেই তিনি। ২০০৮ সালে বিকৃত যৌনতাড়না থেকে নিজেকে বাঁচাতে চিকিৎসকের পরামর্শে রিহ্যাবে যান ডেভিড।






মন্তব্য চালু নেই