মেইন ম্যেনু

পর্ন ভিডিও বাসি হয়ে গেছে! এখন খোলাখুলি বিক্রি হচ্ছে ধর্ষণের ভিডিও মাত্র ৫০ টাকায়…

পর্ন ভিডিও এখন বাসি! খোলাখুলি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ধর্ষণের বিভিন্ন ঘটনার ভিডিওক্লিপ। ধর্ষণের ভয়াবহতার উপরে নির্ভর করছে তার দাম। বাজারের নাম উত্তরপ্রদেশ!

অখিলেশ যাদবের রাজ্যে আইনের চোখে ধুলো দিয়ে বিক্রি হচ্ছে ধর্ষণের ভিডিও। বিভিন্ন বাজারে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা দিলেই মোবাইলে পাওয়া যাচ্ছে ধর্ষণের বাস্তব ঘটনার ভিডিও। তবে ছবির ‘গুণগত মান’ ভাল হলে এবং ভিডিও দীর্ঘসময়ের হলে হাজার টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে এইসব ভিডিওক্লিপ। এক বিক্রেতার কথায়, ‘‘স্টুডিওয় শ্যুট করা কোনও পর্ন ভিডিওর চেয়ে এখন লোকে বাস্তব ঘটনা দেখতে বেশি পছন্দ করে।’’ প্রসঙ্গত, ধর্ষণের সময় তার ভিডিও তুলে রেখে নির্যাতিতাকে ‘ব্ল্যাকমেল’ করার ঘটনা প্রায়শই শোনা যায়। সেই সব ভিডিও’ই বাজারে আসছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আগরার কাশগঞ্জ বাজার এলাকায় ধর্ষণের ভিডিও বিক্রি করেন এমন এক বিক্রেতার মন্তব্য, ‘‘পর্ন ভিডিও পুরনো হয়ে গিয়েছে। তার চেয়ে ধর্ষণ-ভিডিও’র চাহিদা অনেক বেশি। কোনও ভিডিও’য় দেখা যাচ্ছে, আখের ক্ষেতে এক কিশোরীকে ঘিরে রয়েছে দুষ্কৃতীরা। মেয়েটি কাকুতিমিনতি করা সত্ত্বেও তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তারা।’’ তবে অনেকে আবার ‘এটুকুতেই’ সন্তুষ্ট হয় না। তারা আরও ভয়াবহ ধর্ষণের ভিডিও’র খোঁজ করে। এক্ষেত্রে বেশি টাকা দিতেও আপত্তি নেই ক্রেতাদের।

সাধারণত চেনাজানা কোনও লোকের মাধ্যমে গেলেই সহজে এইসব ভিডিও কেনা যায়। ধর্ষণ-ভিডিও’র ডিলারেরা ক্রেতাদের স্মার্টফোনে সরাসরি এধরনের ভিডিও ডাউনলোড করে দেয় বা পেন ড্রাইভের মাধ্যমে এগুলি পাচার করা হয়। তাজগঞ্জ এবং সদর এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে বহু দোকান থেকে এধরনের ভিডিও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। কিন্তু এই ব্যবসা পুরোপুরি বন্ধ করা কার্যত অসম্ভব বলে পুলিশের দাবি।

তবে এই পরিস্থিতিতেও আশার আলো দেখাচ্ছে উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরের ১৩ বছরের নির্যাতিতা। মা’কে এবং নিজেকে বাঁচাতে আধঘণ্টা ধরে একা লড়েছিল মেয়েটি। সে জানিয়ে দিয়েছে, বড় হয়ে আইপিএস আধিকারিক হতে চায়। পুলিশ যে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দুই কর্মীকে গতকাল তার ‘কাউন্সেলিং’য়ের জন্য পাঠিয়েছে, তাঁদের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়েছে ওই কিশোরীর। তাঁদের নিজের স্বপ্নের কথা জানিয়েছে মেয়েটি।

তাঁরা আরও জানান, যখনই কোনও রাজনৈতিক নেতা আসছেন, মেয়েটিকে মুখ ঢাকার জন্য জোরাজুরি করা হচ্ছে। তা একেবারেই পছন্দ হচ্ছে না তার। নির্যাতিতার মা বলেন, ‘‘যারা আমাদের উপর নির্যাতন করেছে, তাদের শাস্তি পেতে দেখতে চাই। তাহলেই মনের জ্বালা কিছুটা কমবে।’’ মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ আজ জানান, বুলন্দশহর-কাণ্ডের তদন্তের ভার সিবিআই’কে দিতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই।

কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী শীলা দীক্ষিত আজ নির্যাতিতাদের সঙ্গে দেখা করতে যান। মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব অবশ্য বলেন, ‘‘দোষীদের শাস্তি হবেই। কিন্তু বিরোধীরা কেন তা নিয়ে রাজনীতি করছে?’’






মন্তব্য চালু নেই