মেইন ম্যেনু

পাঁচ বছরে ৩৪০ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কিম

উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৩৪০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে বলে একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই কথা বলা হয়। এই প্রতিবেদন অনুযায়ী যাদের দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে তাদের মধ্যে ১৪০ জনই সরকার, সেনাবাহিনী এবং ক্ষমতাসীন দল ওয়ার্কার্স পার্টির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা নেতা।

কিম প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর কীভাবে তার ক্ষমতা পোক্ত করেছেন-এই বিষয়টি ‍উঠে এসেছে এই প্রতিবেদনে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী কিম ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে সর্বোচ্চ মাত্রার নৃশংসতা করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘এই পাঁচ বছরে তিনি পাঁচবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে পাল্টেছেন। অথচ তার বাবা ক্ষমতায় থাকতে ১৭ বছরে এই মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তন এনেছেন তিনবার। এদের মধ্যে দুইজন বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যাওয়ার পর তাদের পদে নতুন লোক এসেছিল।’

উত্তর কোরিয়াতে কী ঘটছে-সেই খবর সচরাচর প্রকাশ না হলেও গত পাঁচ বছরে নানা সূত্র থকে প্রেসিডেন্ট কিমের নির্মম সিদ্ধান্তের খবর জানা গেছে।

চলতি বছরের শুরুর দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কিম ইয়ং জিনকে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। গত জুনে তার বিরুদ্ধে বাজে আচরণের অভিযোগ এনেছিল দেশটির পার্লামেন্ট।

২০১৫ সালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হোয়ং ইং চলকে পিয়ং ইয়ংএর একটি সেনা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়।

২০১৩ সালে সরকার উৎখাতের অভিযোগ এনে নিজের চাচাকে মৃত্যুদণ্ড দেন কিম। এ সময় তাকে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে ‘সর্বকালের সেরা বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দেয়া হয়।

কিমের মনোভাবের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই পেসিফিক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক সং কিউং কোর সঙ্গে কথা বলেছে দেশটির গণমাধ্যম সিএনএন। তিনি বলেন, সম্ভাব্য হুমকির আশঙ্কা থেকে কিম প্রায়ই মাথা গরম করে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় বিপদের কথা হচ্ছে, দেশটির নেতৃত্বে তার আশেপাশে এমন কেউ নেই যিনি তাকে একটু বোঝাতে পারেন।’

কো বলেন, কিম একজন মহান নেতা হতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। আর এটা করতে গিয়ে তিনি তার চারপাশে থাকা সামরিক, বেসামরিক কর্মকর্তা এবং দলের শীর্ষ নেতাদেরকে তার ক্ষমতা দেখাতে চাইছেন।






মন্তব্য চালু নেই