মেইন ম্যেনু

পাইকারী বাজারে দাম কম : চরম হতাশায় পান চাষীরা

পাইকারী বাজারে পানের দাম কম হওয়ার কারনে সাতক্ষীরা জেলার পান চাষীরা হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন। সাতক্ষীরা জেলায় এবারের মৌসূমে ১৫ হেক্টর জমিতে পান চাষ হয়েছে। উচু এবং সুনিস্কশিত জমিতে পান চাষ করলে বর্ষায় ক্ষতির আশংকা থাকে না। কৃর্ষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উচু এবং সুনিস্কািশিত জমিতে পানের আবাদ করার জন্য উৎসাহিত করে থাকে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাওনডাঙ্গা গ্রামের পান চাষী আলতাফ হোসেন জানান,গত ৫ থেকে ৭ বছর ধরে তিনি পান চাষ করছেন। এ বছর তিনি চাষ করেছেন ২৫ কাঠা জমিতে। মৌসূম শুরর প্রথম দিকে প্রচন্ড খর তাপ আর গত তিন মাস ধরে অবিরাম বৃষ্টির কারনে তার পান ক্ষেতে পাতা পচা রোগ, কান্ড পঁচা রোগে আক্রান্ত্র হয়ে পানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

পানের উৎপাদন কম এবং পাকইকারী বাজারে দাম কম থাকার কারনে তার অনেক টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, পোন প্রতি বড় পান বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা, মাঝারী পান ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং ছোট পান বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ১০ টাকা। যা গত বছরের তুলনায় অর্ধেকের ও কম। এর ফলে এবারের মৌসূমে জেলার পান চাষীরা ব্যাপক লোকশানের মুখে পড়ে হতাশায় ভুগছেন।

পানের ব্যাপক উৎপাদনের জন্য কোন প্রশিক্ষণ ও ঋন সহয়তা দেওয়ার জন্য কৃর্ষি সম্প্রাসরণ অধিদপ্তর থেকে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয় কিনা জানতে চাইলে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আজমাদ হোসেন জানান, পান চাষের জন্য উপজেলা কৃর্ষি অফিস থেকে কোন প্রকার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় না। তবে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তাদের সংশ্লিষ্ট যে সব ফসল চাষ হচ্ছে সে সব ফসলের আবাদের বিষয়ে কৃষক দেরকে ইনফরমাল প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন।

সাতক্ষীরা জেলায় পান চাষীরা পান চাষের জন্য সহজ শর্তে ঋন এবং বাস্তব মুখি প্রশিক্ষণ দিয়ে পানের ব্যাপক উৎপাদন বাড়ানো জন্য সরকারের সংস্লিষ্ট মহলের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন।






মন্তব্য চালু নেই