মেইন ম্যেনু

পাক সীমান্তে চীনের সেনাবাহিনী, উদ্বিগ্ন ভারত

নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে চীনা সেনাবাহিনীর (পিএলএ) উপস্থিতির অভিযোগ করেছে ভারত। উত্তর কাশ্মীরের নওগাঁ সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে পিএলএর কিছু জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার উপস্থিতির কথা জানতে পেরেছে সেনাবাহিনী। এ ঘটনার পর নিরাপত্তা সতর্কতা জোরদার করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। রোববার ভারতীয় সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর সীমান্তে চীনা বাহিনীর গতিবিধি প্রথম নজরে আসে গত বছরের শেষ দিকে। তারপর থেকে তাঙ্গধর সেক্টরের উল্টো দিকেও চীনা বাহিনীর উপস্থিতি চোখে পড়তে শুরু করে। এই অঞ্চলে চীনের একটি সরকারি সংস্থা ৯৭০ মেগাওয়াটের ঝিলাম-নীলম জলবিদ্যুৎ প্রকল্প গড়ে তোলার কাজ চালাচ্ছে । উত্তর কাশ্মীরের বন্দিপোরে ভারত যে কিষানগঙ্গা প্রকল্প তৈরি করছে, তারই পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে পাকিস্তানের এই পদক্ষেপ। ভারতের এই প্রকল্পটির লক্ষ্য কিষানগঙ্গা নদী থেকে পানির স্রোত ঘুরিয়ে তা ঝিলাম অববাহিকার একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়ে আসা। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন ক্ষমতা হবে ৩৩০ মেগাওয়াট।

পাক সেনাকর্তাদের কথাবার্তার যে রেকর্ড ভারতীয় বাহিনীর হাতে এসেছে, তাতে লিপা উপত্যকায় চীনা বাহিনী কয়েকটি সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ চালাবে, যাতে বছরের সব সময় ব্যবহারের উপযোগী একটি রাস্তা তৈরি করা যায়। এই রাস্তাটি কারাকোরাম হাইওয়েতে পৌঁছানোর বিকল্প রুট হিসেবে ব্যবহার করা হবে। বেইজিং আগেই ৪ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের একটি চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর (সিপিইসি) গড়ে তোলার প্রকল্প ঘোষণা করেছে। সেই প্রকল্পের অঙ্গ হিসেবেই সীমান্তের উল্টো দিকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চীনা সেনাকর্তাদের এই যাতায়াত বলে মনে করা হচ্ছে। বেইজিংয়ের ঘোষিত এই সিপিইসি প্রকল্পে কারাকোরাম হাইওয়ের মাধ্যমে করাচির গদর বন্দরকে যুক্ত করা হবে চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের সঙ্গে।






মন্তব্য চালু নেই