মেইন ম্যেনু

পানকৌড়ির ডাকে মুখর নকুলহাটি

পানকৌড়ির ডাকে এখন মুখুর সময় চলছে সালথা উপজেলার আটঘড় ইউনিয়নের নকুলহাটি গ্রামের চেয়ারম্যান বাড়ী। শত কষ্ট সহ্য করেও চেয়ারম্যান তার বাড়ীর তেতুল গাছ ও বাশঁ বাগানে হাজার হাজার পানকৌড়িকে স্থান দিয়ে একটি উপমা সৃষ্টি করেছেন জেলায়।

এছাড়াও তিনি এবং তার পরিবার সব সময় লক্ষ্য রাখছেন পাখি গুলোকে রক্ষা করার যেন কোন পাখি শিকারী পাখি গুলোকে না মারতে পারে। তার বাড়ীর পাশেই একটি বিল সেই বিলসহ আশেপাশের বিলে পাখি গুলো মাছ খেয়ে খুব আরাম আয়েশেই আছে বলা যায়।

পাশাপাশি তিনটি তেঁতুলগাছ। কালো রঙের পানকৌড়িতে গাছগুলো ভরে গেছে। মাঝে মাঝে দেখা যাচ্ছে সাদা রঙের বক। ওই তিনটি গাছ ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন বাঁশগাছে রয়েছে পাখি। লতিফ মিয়ার ছেলে ওয়াসিম জাফর বলেন, তিন বছর ধরে এখানে পাখি আসছে। প্রতিবছর মে মাস থেকে এখানে পাখি আসা শুরু হয়। প্রথমে আসে কয়েক হাজার বক। এগুলো বাসা বাঁধে গাছের ডালে। ডিম পাড়ে ও বাচ্চা ফুটায়।

এরপর এবার এসেছে পানকৌড়ি। তারাও বাসা বাঁধে, বাচ্চা ফোটায়। গত দুই বছর শুধু বক এসেছিল। এবারই প্রথম বকের সঙ্গে এসেছে পানকৌড়ি। বক সেপ্টেম্বরের মধ্যে চলে যায়। পানকৌড়ি কত দিন থাকবে তা বলা যাচ্ছে না। তবে পানকৌড়ির বাচ্চাগুলো বড় হয়ে উঠেছে। পাখির ডাকে সমগ্র এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠেছে। সারা দিনই পাখির কলকাকলিতে মুখর থাকে পুরো এলাকা।

বাচ্চাদের রেখে মা পাখিগুলো চলে যায় দূরদূরান্তে। বিকেল থেকেই তারা মুখে শিশু পাখিদের জন্য খাবার নিয়ে ফিরতে থাকে। গত শনিবার আবদুল লতিফ মিয়াার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় হাজার হাজার পানকৌড়ি ও বক বাসা বেঁধেছে গাছগুলোতে। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে চারদিক থেকে পাখি আসতে শুরু করে।

একসময় গাছগুলো পাখিতে পাখিতে ভরে যায়। শত কষ্ট সহ্য করা ইউপি চেয়ারম্যান লতিফ মিয়া বলেন, তিন বছর ধরে পাখিগুলো আসছে। তারা এখানে এসে ঘর বানায়, ডিম পাড়ে বাচ্চা ফোটায়। আমাদের দেশে প্রকৃতির এই শান্ত প্রাণীদের আবাসন-সংকট প্রকট। আমরা তাদের দেখে রাখায় এলাকাবাসীর মনে ক্ষোভ থাকলেও তাঁরা অনিষ্টকর কিছু করতে পারছে না ওদের প্রতি ভালোবাসা থেকেই।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই