মেইন ম্যেনু

পানামা পেপার্স কেলেঙ্কারিতে বাংলাদেশী সিঙ্গাপুরিয়ান

রাশিদুল ইসলাম জুয়েল, সিঙ্গাপুর সংবাদদাতাঃ পানামা পেপার্স কেলেঙ্কারিতে কোন সিঙ্গাপুরিয়র  নাম  এ পর্যন্ত শোনা না গেলেও এক জন বাংলাদেশী    সিঙ্গাপুরিয়র নাম শুনা যাচ্ছে, যার  নামের সাথে জুড়ে আছে সিঙ্গাপুরের নাম এখন   বলতে হয় আমাদের বাংলাদেশীরা একটু এগিয়ে আছেন। যার নাম এসেছে তিনি   শিপিং ব্যাবসায়ী, বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অফ সিঙ্গাপুর,বিডিচ্যাম  এর সাবেক ও প্রতিষ্টাতা সভাপতি ক্যাপ্টেন সোহেল হাসান।  যিনি ওয়েস্টার্ন মেরিন কোম্পানীর পরিচালক ছিলেন ২০০৬ থেকে ২০০৭ সালে। বর্তমানে চারটি Offshore কোম্পানীর শেয়ার হোল্ডার  ও পরিচালক পদে অধিষ্টিত।কোম্পানির গুলো হচ্ছে  নোবেল প্যাসিফিক ওয়ার্ল্ড ওয়াইড লিঃ ,টাইটান এলায়েন্স লিঃ,স্যুরেল  ওয়ার্ল্ড ওয়াইড লিঃ এবং পরিমিনেন্ট শিপিং পি টি ই লিঃ। ২০১৩ সালের  ১৪ জুলাই  ইংরেজি দৈনিক দি নিউ এইজে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিলো ,যেখানে বিশ জন ব্যবসায়ীর কথা উল্লেখ করা হয় ,যার মধ্যে তিনিও একজন ছিলেন। নিউ এইজের ঐ খবরে  বলা হয়েছিলো , ২০১০ সালে দেশের বাইরের ঠিকানা ব্যবহার করে অফশোর কোম্পানি খুলেছিলেন তারা। যার মধ্যে  অনেক কোম্পানি এখন বিলুপ্ত।এবারের টক অফ দা ওয়ার্ল্ড পানামা পেপারস কেলেঙ্কারিতে বাকি যে কজন সিঙ্গাপুরের নাম ব্যবহার করেছিলেন, তারা হলেন ,বাংলা ট্রাক নিমিটেডের মো. আমিনুল হক, নাজিম আসাদুল হক ও তারিক একরামুল হক।

সম্প্রতি প্রকাশিত অনলাইন সংবাদ থেকে আরো জানা যায় ,সিঙ্গাপুরের নাম যারা ব্যাবহার করেছেন তাদের মধ্যে আছে ,মাসকট গ্রুপের চেয়ারম্যান এফএম জুবাইদুল হকের। বলা হয়েছে তিনি তার স্ত্রী সালমা সহ অফসোর কোম্পানি স্প্রিয় শোর ইন্টারন্যাশনালের ডাইরেক্টর/শেয়ারহোল্ডার হন ২০০৭ সালের মে মাসে। এ তালিকায় আরও নাম আছে সেহেতু করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহতাবুদ্দিন চৌধুরীর। স্ত্রী উম্মেহর সঙ্গে তিনি ২০০৭ সালের আগস্টে তালাভেরা ওয়াল্ডওয়াইডের ডাইরেক্টর/শেয়ারহোল্ডার হন। স্কাপর্ক লিমিটেড এবং অমনিকেম লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইফতেখারুল আলমের নাম রয়েছে ওই তালিকায়। রয়েছে তার পুত্রবধু ফওজিয়া নাজের নাম। বলা হয়েছে তারা সিটিলিঙ্কের মালিক। তারা ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে সিঙ্গাপুরের ঠিকানা ব্যবহার করে পাউমি টেকনোলজি লিমিটের ডাইরেক্টর/শেয়ারহোল্ডার হন। আবদুল মোনেম লিমিটেডের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক আএসএম মহিউদ্দিন আহমেদ, তার স্ত্রী আসমা মোনেনের নাম রয়েছে এতে। বলা হয়েছে তারা ২০০৮ সালের জুনে অফসোর কোম্পানি ম্যাগনিফিসেন্ট ম্যাগনিটিউডের ডাইরেক্টর/শেয়ারহোল্ডার হয়েছেন। এতে আরও নাম রয়েছে অনন্ত গ্রুপের শরিফ জাহিরের নাম। বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি সিপিএটি (সিঙ্গাপুর) প্রাইভেট লিমিটেডের ডাইরেক্টর হয়েছেন।বাংলাদেশী অভিবাসীদের মধ্যেও পানামা পেপার কেলেংকারীর সংবাদ মুখে মুখে আলোচিত হচ্ছে।






মন্তব্য চালু নেই