মেইন ম্যেনু

পানাহার ত্যাগই রোজার মৌলিক উদ্দেশ্য নয়!

রোজা আল্লাহ তাআলার ফরজ ইবাদাত। শুধুমাত্র পানাহার ও স্ত্রী সম্ভোগ ত্যাগ করাই রোজার মৌলিক উদ্দেশ্য নয়, বরং রোজা প্রধান মৌলিক উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহভীতির মহান গুণাবলী অর্জন করা। কুরআনে কারিমে আল্লাহ তাআলা এ কথারই স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছিল। যাতে তোমরা আল্লাহর ভয় অর্জন করতে পারো। (সুরা বাক্বারা : আয়াত ১৮৩) রোজা পালনের মৌলিক ‍উদ্দেশ্য আল্লাহভীতি অর্জন করা। তা অর্জন করতে হলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিসের আমল করতে হবে। যা তুলে ধরা হলো-

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা বলা এবং তা অনুসারে কার্যকলাপ করা পরিত্যাগ করেনি, তার পানাহার পরিত্যাগ করাতে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। (বুখারি, মিশকাত)

এ হাদিস থেকে বুঝা যায় যে, পানাহার ত্যাগ ত্যাগ করে কু-প্রবৃত্তি দমন, ক্রোধ সংবরণ এবং যাবতীয় অশ্লীল ও গর্হিত আচার-আচরণ ও অশালীন কথাবার্তা পরিহার করে নিজেকে নিষ্কুলুষ-পরিশুদ্ধ মানুষরূপে গড়ে তোলা।

সুতরাং যে ব্যক্তি এ গুণগুলো অর্জন করতে পারলো না; তার পানাহার পরিত্যাগে রোজার নামে অযথা কষ্ট করে কোনো কিছুই অর্জিত হবে না। এমনকি মহান আল্লাহ তাআলাও তার প্রতি অনুগ্রহশীল হবেন না।

পরিশেষে…
দিনের বেলায় পানাহার ত্যাগে সিয়াম রাতে ঘুম ত্যাগে কিয়াম তথা নামাজ আদায়ের পাশাপাশি রোজার মৌলিক শিক্ষা আল্লাহভীতি অর্জনে যাবতীয় অন্যায় থেকে নিজেকে মুক্ত করাই হলো ঈমানের দাবি।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে আল্লাহভীতি অর্জনে যাবতীয় অন্যায় ও গর্হিত কাজ থেকে ফিরে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।






মন্তব্য চালু নেই