মেইন ম্যেনু

পাবনার প্যারা মিষ্টি দেশের সেরা

মিষ্টি পছন্দ করেন না এমন মানুষের সংখ্যা নিতান্তই কম। গুড়ের সন্দেশ, চিনির সন্দেশ তো আমরা খেয়েই থাকি, কিন্তু পাবনার প্যারা মিষ্টিটা যেন একটু বেশিই মজা। প্যারা মিষ্টি সম্পর্কে কথা বলতেই পাবনা শ্যামল মিষ্টান্ন ভান্ডারের কারিগর আব্দুল মোমিন জানান, প্যারা মিষ্টিটা তৈরি হয় সম্পূর্ণ দুধ দিয়ে। ১ চারে (এক কড়াই) ২০ লিটার দুধের সঙ্গে ৫ কেজি চিনি দিয়ে প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা জ্বাল দিয়ে ক্ষীর বানাতে হয়। তারপর ওই হালকা নরম ক্ষীর দিয়ে প্যারা তৈরি করা হয়। ১ চারে ৭ কেজি প্যারা বানানো সম্ভব। প্যারা মিষ্টি তৈরিতে দুধ চিনি ছাড়া অন্য কিছু ব্যবহার করা হয় না। খাঁটি দুধ দিয়ে তৈরি হয় বলেই প্যারার স্বাদ অন্য মিষ্টির চেয়ে একটু আলাদা ও সুস্বাদু।

প্যারা মিষ্টি সম্পর্কে পাবনার লক্ষ্মী মিষ্টান্ন ভান্ডারের কর্মচারী শংকর বাবু জানান, পাবনার মত প্যারা দেশের অন্য কোনো জেলায় পাওয়া যায় না। অনেকেই তাদের প্যারা সুস্বাদু বলেই কিনে নিয়ে যান। বিভিন্ন উৎসবের আগে পাবনার প্যারার চাহিদা বেড়ে যায়। প্রতি কেজি প্যারার দাম ২৫০ টাকা। তবে গ্রীষ্মকালের চাইতে শীতকালে এই মিষ্টির চাহিদা বেশি থাকে।

মিষ্টির জগতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ লক্ষ্মী মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী ভোলা নাথ ঘোষ জানান, তার দোকানে অন্য মিষ্টি বিক্রি করা হলেও প্যারার চাহিদা একটু বেশি। বিভিন্ন জেলা থেকে লোকজন যখন পাবনাতে বেড়াতে আসেন ফেরার পথে তারা প্যারা নিয়ে যান আত্মীয়-পরিবার-পরিজনদের জন্য।

ঢাকায় বসবাসকারী পাবনার শাকিল আহমেদ বলেন, পাবনার মিষ্টির মধ্যে প্যারা আমাদের কাছে সবচেয়ে সেরা মিষ্টি। আমি ঢাকায় থাকি কিন্তু যখনই পাবনায় আসি ফিরে যাওয়ার প্যারা কিনে নিয়ে যাই। প্যারা কেনার আরও একটি সুবিধা হলো এই মিষ্টি সহজে বহন করা যায় ও দ্রুত নষ্ট হয় না, ফ্রিজে না রেখেও কয়েকদিন খাওয়া যায়। এ কারণেই ‘পাবনার প্যারা, মিষ্টির সেরা।’






মন্তব্য চালু নেই