মেইন ম্যেনু

পারমানবিক অস্ত্রব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাচ্ছে ৯ দেশ

পারমানবিক অস্ত্রধারী দেশগুলি নতুন পারমানবিক অস্ত্র ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাচ্ছে অথবা তাদের কাছে যে পারমানবিক অস্ত্র রয়েছে তার উন্নয়ন করছে। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মোতায়েন করা শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্য সংখ্যা কমছে। অথচ শান্তি মিশনের সংখ্যা বেড়ে চলছে। সংঘর্ষ ও অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা সুইডেনভিত্তিক স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইন্সটিটিউট (এসআইপিআরআই) তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, চীন, ভারত, পাকিস্তান, ইসরাইল ও উত্তর কোরিয়ার হাতে আনুমানিক ১৫ হাজার ৮শ ৫০টি পারমানবিক অস্ত্র ছিল। এগুলির মধ্যে চার হাজার ৩শটি যুদ্ধক্ষেত্রে থাকা সেনাবাহিনীর ঘাঁটিতে মোতায়েন করা হয়েছে। এসব অস্ত্রের মধ্যে ১৮শটি রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সতর্ক অভিযানের জন্য রাখা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, বিশ্বে মোট পারমানবিক ওয়্যারহেডের সংখ্যা কমছে। প্রাথমিকভাব রাশিয়া ও আমেরিকা তাদের পারমানবিক অস্ত্র কমাতে শুরু করেছে। যদিও এটি গত দশকের তুলনায় অনেক কম গতিতে কমছে। একই সময় দেশ দুটিতে তাদের কাছে থাকা পারমানবিক অস্ত্র উৎক্ষেপক ব্যবস্থা, ওয়্যারহেড ও উৎপাদন ব্যবস্থা আধুনিকরণের জন্য বিস্তৃত ও ব্যয়বহুল দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প চালু রয়েছে।

অন্যান্য পারমানবিক অস্ত্রধারী দেশগুলির পারমানবিক অস্ত্র তুলনামুলকভাবে কম হলেও তারা হয় সেগুলির উন্নয়ন করছে অথবা নতুন পারমানবিক ব্যবস্থা চালু করেছে অথবা সেধরণের কিছু একটা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। চীন তাদের পারমানবিক অস্ত্রভান্ডার সামান্য বাড়িয়েছে। ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই তাদের পারমানবিক অস্ত্রের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে এবং নতুন ক্ষেপনাস্ত্র ব্যবস্থার উন্নয়ন করছে। উত্তর কোরিয়া তার সামরিক বাহিনীর পারমানবিক প্রকল্পের উন্নয়ন করছে। ওপেন সোর্সের ওপর ভিত্তি করে তবে দেশটির প্রযুক্তিগত উন্নয়ন মূল্যায়ন খুব কঠিন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারে ৭ হাজার ২৬০, রাশিয়ার সাড়ে সাত হাজার, ফ্রান্সের ৩০০, ব্রিটেনের ২১৫ এবং চীনের ২৬০টি, ইসরাইলের ৮০ টি এবং উত্তর কোরিয়ার ছয় থেকে আটটি পরমাণু বোমা রয়েছে। এছাড়া পাকিস্তানের অস্ত্র ভাণ্ডারে ১০০ থেকে ১২০টি এবং ভারতের ৯০ থেকে ১০০টি পরমাণু বোমা রয়েছে।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই