মেইন ম্যেনু

পাহাড়ে নগ্ন হওয়ায় ভূমিকম্প, অতঃপর…

মালয়েশিয়ায় কিনাবালু পাহাড়কে পবিত্র স্থান মনে করা হয় দেশটিতে। ৩০ মে সূর্যোদয় উপভোগ করতে ওই পাহাড়ে ওঠে নগ্ন হন একদল বিদেশি পর্যটক। কিন্তু ৫ জুন দেশটিতে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। পবিত্র পাহাড়ে নগ্ন হওয়ায় মালয়েশিয়ায় ভূমিকম্প হয়েছে-এমন অভিযোগে ৬ জুন তাদের আটক করা হয়।

বিষয়টি এখানেই শেষ নয়। পবিত্র পাহাড়ে ওঠে নগ্ন হওয়া এবং জনসাধারণের অনুভূতিতে আঘাত হানার দায়ে শুক্রবার ওই পর্যটকদের ৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে।

দোষী সাব্যস্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- ব্রিটিশ নাগরিক ইলিনর হকিংস (২৩), কানাডিয়ান লিন্ডসে ও ড্যানিলি পেটারসন এবং ডাচ নাগরিক ডাইলান এসনেল। জনসাধারণের অনুভূতিতে আঘাত হানার বিষয়টি স্বীকারও করেছেন তারা।

তাদের তিন দিনের সাজা দেওয়া হয়েছে। যদিও গ্রেফতারের পর থেকে তারা ওই সাজা ইতিমধ্যে খেটে ফেলেছেন। কোটা কিনাবালু দায়রা জজ আদালতের এক বিচারক বলেন, দোষী ৪ জন তাদের কাজের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন এবং ৯ জুন পর্যন্ত তাদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ তারা এখন নিজে দেশে ফিরে যেতে পারবেন।

এছাড়া বিচারক তাদের প্রত্যকে ৫ হাজার রিঙ্গিত করে জরিমানা করেন।

সরকারি কৌসুলি জানান, ওই চারজন সঙ্গে আরো ছয় জনকে নিয়ে চূড়ায় ওঠেন। পাহাড়ের চূড়ায় উঠে একে অন্যকে নগ্ন হওয়ার জন্য চ্যালেঞ্জ করেন। এ সময় তাদের গাইড-এর প্রতিবাদ করলে তাকে লক্ষ্য করে প্রসাব এবং গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ আনা হয় তাদের বিরুদ্ধে।

তবে অভিযুক্তদের আইনজীবী দাবি করেছেন, ‘গাইডকে গালাগালি করার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তারা অজান্তেই নগ্ন হয়েছিলেন এবং তারা বিষয়টিতে সচেতন ছিলেন না।’

বিবিসির সংবাদদাতা জেনিফার প্যাক জানান, ‘অনেকের বিশ্বাস- মৃত্যুর পর তাদের আত্মা কিনাবালু পর্বতে বিশ্রাম নেয়। এ কারণে এটি তাদের কাছে পবিত্র বলে বিবেচিত। তাই পর্যটকদের এই কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণ বেশ ক্ষুব্ধ।’

শুক্রবারের ওই ভূমিকম্পে শিশু, নারীসহ ১৮ জন মারা যান।

তথ্যসূত্র : বিবিসি।






মন্তব্য চালু নেই