মেইন ম্যেনু

পায়ের নূপুরে তার জড়িয়ে নববধূকে বিদ্যুতের শক!

বিয়ে হয়েছে এক মাস হলো। সদ্য আঠারো পেরনো মেয়ে ভেবেছিল সংসারটা নিজের মতো করে গড়বে। কিন্তু কি থেকে কি হলো- যাকে বিশ্বাস করে, দেবতা মেনে ঘরে এসেছিল সে তো আসলে দেবতা নয়- নিষ্ঠুর, পাষণ্ড।

সেই পাষণ্ড স্বামী এই কয়েকদিনেই তিন তিন বার মৃত্যুর মুখোমুখি করে তার নববধূকে। কখনও বেড়াতে নিয়ে গিয়ে সমুদ্রের পানিতে ঠেলে ফেলে মারার চেষ্টা, কখনও আবার ট্রেনের সামনে ফেলে দেয়ার চেষ্টা। আর সর্বশেষ পায়ের নূপুরে বিদ্যুতের তার জড়িয়ে শক দেয়া।

এমনটাই করেছেন ভারতের পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার রবীন্দ্রনাথ মিশ্র। নববধূ মৌমিতা মিশ্র এখন এগরা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

হাসপাতালের শয্যায় শুয়ে তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী সুস্থ নয়। সুযোগ পেলেই ও আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করতো।’

গতকাল রোববার মৌমিতার লিখিত অভিযোগ পেয়েই পুলিশ গ্রেপ্তার করে রবীন্দ্রনাথকে। পুলিশি জেরায় রবীন্দ্রনাথ অবশ্য অন্য দাবি করেছেন। তার বক্তব্য, ‘আমার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য পুরুষের সম্পর্ক রয়েছে। তাই এসব বানিয়ে বলছে। আমি নির্যাতনের বিষয়ে কিছু জানি না।’






মন্তব্য চালু নেই