মেইন ম্যেনু

পিঠ খোলা ব্লাউজে ক্রিকেট শো হয় না

পিট খোলা ব্লাউজ পরলেই ভালো ক্রিকেট শো করা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের ক্রিকেট অ্যাংকর মায়ান্তি ল্যাঙ্গার বিনি।

তিনি আনন্দবাজার পত্রিকাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেছেন।

আরেক জনপ্রিয় ক্রিকেট অ্যাংকর মন্দিরা বেদি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মায়ান্তি বলেন, ‘দেখুন, মন্দিরা না থাকলে ওই বেঞ্চ মার্কটাই বোধ হয় তৈরি হতো না। আমরা অনেকেই হয়তো এই পেশায় আসতাম না। কিন্তু এটাও মানতে হবে যে, টিভিতে শো করলেই খুব সাজতে হবে, এই ধারণাটা সম্পূর্ণ বদলে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘আজকাল আর সুন্দর শাড়ি বা পিঠ খোলা ব্লাউজে দর্শককে ইনফ্লুয়েন্স করা যায় না। ১০ বছর আগে পর্দায় লুকিং গুড ওয়াজ ভেরি ইম্পর্ট্যান্ট। এখন আর তা নেই। শুধু সুন্দরী হলেই, ভাল ক্রিকেট অ্যাংকর হওয়া যায় না- সবাই বুঝেছে এটা।’অ্যাংকর মন্দিরা বেদি

বাজারে মন্দিরা বেদিরা কামব্যাক করলে কি প্রথমে বলেই বোল্ড হতেন না- এমন প্রশ্নে মায়ান্তি ল্যাঙ্গার বলেন, ‘সেটা কী করে বলব। (একটু থেমে) আরে ভাই, তোমাকে তো আল্টিমেটলি খেলাটা নিয়েই বকবক করতে হবে। তুমি কত ভাল সাজলে, কিংবা কী ড্রেস পড়লে, সেটা নিয়ে কেউ বদার্ড নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘অফিস থেকে ফিরে লোকে ক্রিকেট নিয়ে আড্ডা দিতে চায়, তোমাকে সেটাই করতে হবে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা তুমি লাউড মেকআপ নিয়ে দাঁড়িয়ে রইলে অথচ খেলার কিছুই বোঝো না, তাতে কী হবে? খেলার মাঠে খোলামেলা পোশাক বা শরীর দেখিয়ে লাভ নেই।’

মায়ান্তিকে ভারতীয় ক্রিকেটের নতুন পোস্টার গার্ল বলা হয়। অন্য ক্রিকেট অ্যাংকরদের সঙ্গে তার তফাৎ হল- স্বামী স্বয়ং ভারতীয় ড্রেসিংরুম নিবাসী অলরাউন্ডার স্টুয়ার্ট বিনি।স্বামীর সঙ্গে মায়ান্তি

ফলে স্বামী এক ওভারে ৩২ রান দিলে তার ঝড় মায়ান্তিকেও পোয়াতে হয়। এ বিষয়ে এই সুন্দরী বলেন, ‘আমি ম্যাচের পর স্টুয়ার্টের সঙ্গে কথা বলি না। সেই মুহূর্তে ওরা অন্য গ্রহের মানুষ, নিছকই কিছু স্টোরি সাবজেক্ট। বাস্তবে ও আমার স্বামী হতে পারে, কিন্তু সেই মুহূর্তে আমাকে নিউট্রাল থাকতেই হবে।’

তিনি এও বলেন, ‘স্টুয়ার্ট এমনিতেও আমার প্রিয় ক্রিকেটার নয়। ইন ফ্যাক্ট, আমার কোনো খেলাতেই প্রিয় বলে কেউ নেই। একজন অ্যাংকরের কোনো প্রিয় থাকা উচিত নয়।’

সমালোচনা নিতে পারেন? লোকে তো বলে, আপনি ভীষণ ঠোঁটকাটা… এমন প্রশ্নে মায়ান্তি বলেন, ‘নিজের সমালোচনা নেয়ার ক্ষমতা আমার আছে। কিন্তু কেউ যদি ফালতু বিতর্ক সৃষ্টি করতে চায়, তাহলে তো আমি মুখ খুলবই। আমি নিজের কাজ করি, বাকিদেরও তাই করা উচিত…।’

স্টুডিওতে এতজন পুরুষ অ্যাংকরের মধ্যে একমাত্র মহিলা হিসেবে কাজ করা কতটা চ্যালেঞ্জিং- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো দিনই পুরুষ-নারী ইকুয়েশন মানি না। স্টুডিওতে আমরা প্রত্যেকেই একটা ইউনিট। বাকিরা কখনও বুঝতে দেয় না যে আমি একজন মহিলা। তবে, সব জায়গাতেই কিন্তু আমি বস (হাসি)!’






মন্তব্য চালু নেই