মেইন ম্যেনু

পিতৃভূমি থেকে ইথিওপিয়া যাচ্ছেন ওবামা

রোববার এক টেলিভিশন ভাষণের মধ্য দিয়ে শেষ হতে চলেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার পিতার দেশ কেনিয়া সফর। নাইরোবিতে দু দিনের সফর শেষে রোববার রাতে তার ইথিপিয়ার উদ্দেশে রওয়ানা হওয়ার কথা রয়েছে।

রোববার নাইরোবির কাসারানি স্টেডিয়ামে বক্তব্য রাখছেন ওবামা যা কেনিয়ার জাতীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করার কথা রয়েছে। সেখানে তিনি দু দেশের সম্পর্ক এবং মানবাধিকারের ওপর বক্তব্য রাখবেন বলে বিবিসি প্রতিনিধি জানিয়েছেন। এর আগে শনিবার তিনি কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উহুরু কেনিয়াত্তার সঙ্গে নিরাপত্ত ইস্যুতে আলোচনা করেন। তবে সমকামী অধিকারের ওপর দুই নেতার মধ্যে মতপার্থক্য দেখা গেছে।

গতবছর ইসলামি গোষ্ঠী আল শাবাবের বিরুদ্ধে অভিযান চলাকালে শত শত সোমলিয়ার নাগরিককে আটক করে রাখা হয়েছিল ওই স্টেডিয়ামটিতে। ওবামার ভাষণে সে বিষয়টির ওপর আলোকপাত করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে দেশটিতে সাম্প্রদায়িক এবং বর্ণবিদ্বেষ ছড়িয়ে পারতে বলে সতর্কবাণী উচ্চারণ করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও শনিবার প্রেসিডেন্ট কেনিয়াত্তার বৈঠকে তিনি আল শাবাবের মত জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কেনিয়া সরকারের লড়াইয়ের প্রশংসা করেছিলেন।

কেনিয়া সফর শেষে রোববার রাতে ইথিওপিয়া সফরে যাবেন ওবামা। দেশটিতে এটিই হবে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম সফর। সেখানে মঙ্গলবার তিনি ৫৪ সদস্যের আফ্রিকান ইউনিয়নে (এইউ) বক্তব্য রাখবেন। এইউ কমিশনের প্রধান কোসাজানা দালামিনি জুমা ইথিওপিয়ায় ওবামার সফরকে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এইউ’র সম্পর্ক আরো গভীর হবে।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে ওবামাকে বহনকারী এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানটি কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির মাটি স্পর্শ করে। ইথিওপিয়া যাওয়ার আগে তিনি নিজের বাবার দেশে যাত্রাবিরতি করলেন। বিমানবন্দরে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানান প্রেসিডেন্ট কেনিয়াত্তাসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা। শুক্রবার রাতে নাইরোবির হোটেলে ওবামার সঙ্গে তার সৎ দাদি ‘মামা সারাহ’ এবং সৎ বোন আউমা ওবামাসহ বেশ কয়েকজন নিকটাত্মীয় দেখা করেন। হোটেলের রেস্টুরেন্টে একটি লম্বা টেবিলে বসে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তার স্বজনদের সঙ্গে খোজমেজাজে গল্প করতে দেখা যায়। পরে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রাতের খাবার খান।






মন্তব্য চালু নেই