মেইন ম্যেনু

পিৎজা কাস্টমারের খোঁজে!

প্রতিদিন পিৎজা না হলে তার চলে না। গত ১৭ বছর ধরে প্রতিদিন পিৎজা অর্ডার করেন আমেরিকার সালেমের বাসিন্দা আলেকজান্ডার। তাই প্রায় এক সপ্তাহ বেশি সময় আলেকজান্ডারের অর্ডার না আসায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন পিৎজা আউটলেটের কর্মীরা।

২০০৯ থেকে প্রতিদিন ডমিনোজের পিৎজা অর্ডার করতেন আলেকজান্ডার। অনলাইনে পিৎজা অর্ডার করতেন আলেকজান্ডার। এত বছর ধরে তার অর্ডার সাপ্লাই করতে করতে তিনি এতই পরিচিত হয়ে গিয়েছিলেন যে স্ক্রিনে আলেকজান্ডারের নাম ফুটে উঠতেই হাসি ফুটত সবার মুখে।

কিন্তু ১৬ বছরের বাঁধা রুটিন থমকে যায় গত সপ্তাহে। পর পর বেশ কয়েকদিন আলেকজান্ডারের থেকে কোনও অর্ডার না পেয়ে চিন্তায় পড়ে যান তারা। কোনও বিপদ হয়নি তো? আলেকজান্ডারকে ফোন করেন তারা। কিন্তু ভয়েস মেসেজ মোডে থাকায় কোনও কথা হয় না। আলেকজান্ডারের খোঁজ নিতে তার বাড়িতে একজন ডেলিভারি বয়কে পাঠানো হয়।

আলেকজান্ডারের বাড়ি গিয়ে হ্যাম্বলেন নামে ওই ডেলিভারি বয় দেখেন যে ভেতরে আলো ও টিভি চলছে। দরজা নক করলে প্রথমে কোনও আওয়াজ না পেলেও কিছুক্ষণ পর ভেতর থেকে দুর্বল গলায় কাতরানি শুনতে পান। ভেতরে গিয়ে হ্যাম্বলেন দেখেন যে মেঝের ওপর পড়ে আছেন গুরুতর অসুস্থ আলেকজান্ডার। দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেন তিনি।

হার্টের সমস্যা রয়েছে ৪৭ বছরের আলেকজান্ডারের। একাই থাকেন তিনি। তাই পিৎজা আউটলেটের কর্মীরা উদ্যোগী না হলে তাকে বাঁচানো সম্ভব হত না বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।






মন্তব্য চালু নেই