মেইন ম্যেনু

পুনরায় তালেবান আক্রমণের শিকার কুন্দুজ

আবারো তালিবান যোদ্ধাদের আক্রমনে কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ উত্তরাঞ্চলীয় আফগান শহর কুন্দুজ বিপর্যস্ত। পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ পাক্তিকায় এক ভলিবল ম্যাচে আক্রমণ করে নয়জন হত্যার ঠিক একদিন পরই অর্থাৎ আজ আবার আক্রমণ চালিয়েছে তালিবান যোদ্ধারা। জঙ্গিরা বিভিন্ন দিক থেকে আক্রমণ চালিয়েছে। তারা একটি হাসপাতালও আক্রমণ করেছে। আফগান পুলিশের দেয়া তথ্যমতে উভয় পক্ষেই বেশ হতাহতের সম্ভাবনা রয়েছে।

গত এপ্রিল থেকে শুধুমাত্র এই কুন্দুজ প্রদেশেই তালিবান ও বিদ্রোহীদের বেশ কয়েকটি যৌথ আক্রমণ হয়েছে। সংবাদদাতারা জানিয়েছে, এই পর্যন্ত তালিবান যতবার এই প্রাদেশিক রাজধানীতে আক্রমণ করেছে সবগুলো আক্রমণ থেকে সোমবারের আক্রমণ বেশি উল্লেখযোগ্য। কুন্দুজ পুলিশের মুখপাত্র সৈয়দ সরোয়ার হোসাইনী সংবাদ
সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘কুন্দুজ প্রদেশের প্রবেশ পথ খ্যাত খানাবাদ, চরধরা এবং ইমাম সাহিদ এই তিনটি শহরে আফগান নিরাপত্তা বাহিনী এবং তালিবান যোদ্ধাদের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি চলছে। আমাদের পর্যাপ্ত লোকবল আছে। আমরা তাদেরকে অবশ্যই ঠেকাতে পারবো।’

তালিবান যোদ্ধারা একটি হাসপাতালও আক্রমণ করেছে বলেছে জানিয়েছে স্থানীয়রা। কিন্তু স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে যোদ্ধারা শুধুমাত্র কিছুক্ষনের জন্য হাসপাতালের ভেতর প্রবেশ করে। সামাজিক সাইটগুলোতে যোদ্ধাদের মধ্যে কয়েকজনকে সেখানে ‘সেলফি’ তুলতেও দেখা যায়। এখন পর্যন্ত এই আক্রমণের ফলে অন্তত ২০ জন তালিবান যোদ্ধার খবর নিশ্চিত করেছে গণমাধ্যম। আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর হতাহতের খবর জানা যায়নি। তবে বেশ হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে।

আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলসহ রাজধানী কাবুল পর্যন্ত বেশ কয়েকটি শহরের সঙ্গে সংযোগকারী প্রধান সড়ক এই কুন্দুজ প্রদেশের ভেতর দিয়ে গেছে। সোমবারের তালিবান আক্রমণে সেগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। শষ্য উৎপাদনের জন্যও এই প্রদেশ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আফগানিস্তানের মোট চালের যোগানের অর্ধেকটাই আসে এই প্রদেশ থেকে।
গত বছরে মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনীর একাংশ আফগানিস্তান ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে তালিবান যোদ্ধাদের আক্রমণ একটি নিত্য ঘটনায় পরিনত হয়েছে। গতকাল রোববার প্রায় তিনশত ইসলামিক স্টেট সদস্য ও মিত্রবাহিনী কর্তৃক নাংগারহার এর কয়েকটি চেকপয়েন্ট আক্রমণে দুজন পুলিশ সদস্যসহ প্রায় ষাটজন যোদ্ধা নিহতের খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির স্থানীয় কর্মকর্তারা।






মন্তব্য চালু নেই