মেইন ম্যেনু

পুরুষের গভীরে যে ১০ গুণ খোঁজে নারী!

আপনার কাছে প্রিয় সেই রূপসি মেয়েটিকে প্রেম প্রস্তাব দিতে যাবেন বলে মনস্থির করেছেন। অতপর দিলেনও প্রস্তাব। শুভদিনে, মাহেন্দ্রক্ষণে তাঁর হাত তুলে দিলেন গোপনপত্রখানি। কিন্তু “না”। জবাব এল “না”। এর জন্য মেয়েটিকে দুষবেন না। একদম মনে করবেন না তিনি নিষ্ঠুর, নাকউঁচু, দেমাকি। বরং নিজের দিকে ভালো করে চেয়ে দেখুন। কী গুণ আছে আপনার মধ্যে? তাই বলি, নারীর মন পাওয়ার জন্য খালি একটা প্রেমপত্রই যথেষ্ট নয়। মনের মণিকোঠায় চিরস্থায়ী ঠাঁই পেতে অনেকবেশি গুণবান হওয়া প্রয়োজন। তবেই মিলবে স্বপ্নের মল্লিকা। নারীকুল পুরুষের কোন কোন গুণে মোহিত জেনে নেওয়া যাক –

১. রহস্যে মোড়া নায়ক:
– একেবারে টান টান উত্তেজনা! কাপড় কাটা পোকারা যেমন বিপদ আছে জেনেও পটাপট আগুনে ঝাঁপ দেয়, ঠিক তেমনই রহস্যে মোড়া পুরুষের দিকে চুম্বকের মতো এগিয়ে আসেন নারীরা। আগুনে হাত পুড়বে জেনেও রহস্য উদ্ঘাটন করতে এগিয়ে আসেন তাঁরা। তাই একটু মিস্টিরায়াস হতে চেষ্টা করুন। অনর্গল বকে যাবেন না। বাচ্চামিগুলো ত্যাগ করে ।

২. হাস্যরসে মাখামাখি:
– এমন কেউ যাঁর সঙ্গে দু-দণ্ড কথা বললে মন খারাপ সব ধাঁ হয়ে যায়। তেমন পুরুষকেই মনপ্রাণ সঁপে দেয় নারীকুল। আবার কথায় কথায় জোকস্ শোনানোর অভ্যেস থাকাও কিন্তু সমস্যার ব্যাপার। মেয়েরা ধরে নিতে পারেন, আপনার মধ্যে কোনও গাম্ভীর্যই নেই। সব সময় হা হা, হি হি হাবভাব! কিন্তু তাও হাস্যবোধের জন্য অনেকেই এগিয়ে আসেন। প্রেমিকা না হন, প্রেমিকা হওয়ার ফিলটাই সই।

৩. আত্মবিশ্বাসী হওয়া ভালো:
আত্মবিশ্বাসী কিন্তু অতি আত্মবিশ্বাসী নন। পুরুষদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসী গুণ থাকলে অনেক মেয়েই পটে যাবেন। খুব সুপুরুষ না হলেও কিন্তু আত্মবিশ্বাসের কারণে প্রেমিকা জুটে যেতে পারে।

৪.স্বতঃস্ফূর্ততা:
বেশি আমতা আমতা ভাব থাকলে নারীকুলে আপনার পরিচয় হবে “ক্যাবলা”। কিন্তু সেই দোষ যদি কাটিয়ে উঠতে পারেন, স্বাভাবিক স্ফূর্তি জাগিয়ে তুলতে পারেন, মিললেও মিলতে পারে মনের মল্লিকার খোঁজ। সেই জন্য নিজেকে একটু গ্রুম করে নিন। সবকিছু নিয়ে অতিমাত্রায় ভাবা ত্যাগ করুন। দেখবেন, আপনার মধ্যেও স্বতঃস্ফূর্তভাব উঁকি দিচ্ছে।

৫. ভালো কথা বলুন:
দেখতে রাজপুত্র নন, কিন্তু পিছনে মহিলাদের লম্বা লাইন! কেন বলুন তো? স্রেফ ভালো কথা বলার জন্য। যে কোনও মহিলাই সুন্দর কথা বলা পুরুষদের দিওয়ানি। তাঁর সঙ্গে কথা বলার জন্য সারাদিন অপেক্ষা করতে পারেন। তা হলে, বিচার করে দেখুন আপনার স্পিকিং পাওয়ার কেমন।

৬. বিচক্ষণ, কিন্তু অতি পজ়েসিভ নন:
এমন কেউ যিনি ধরেও রাখবেন, আবার ছেড়েও রাখবেন। মোদ্দা কথা হল, ঘাড়ের কাছে নিশ্বাস ছাড়বেন না। কারণ তাঁর বিশ্বাস, কাউকে জোর করে আটকে রাখা যায় না। এমন গুণকে খুবই পাত্তা দেয় নারীকুল।

৭. বুদ্ধিদীপ্ত:
অসম্ভব অঙ্কে ভালো, দারুণ ইংরেজি উচ্চারণ, দসটোয়েভস্কি নিয়ে ফাটাফাটি জ্ঞান, দু-মিনিটে রিউবিক্স কিউবের রং ম্যাচ করতে পারেন, হেব্বি ড্যাশি… আর কী চাই! এই তো আদর্শ পুরুষ। চোখে মোটা কালো ফ্রেমের চশমা, ব্যোমকেশ বক্সি!

৮. সেক্সি:
– এই গুণটি কিন্তু পুরুষটির মধ্যে থাকা চাই চাই। না হলে যে ক্লাইম্যাক্সটাই মাটি। এমন কেউ যাঁকে দেখলে নারীর ভিতরটা গলে জল হবে।

৯. বেশি মাসল্ নয়:
– যদি ভেবে থাকেন ডাই কিলো কা হাত হলেই মেয়ে রাজি, ভুল জানেন। অধিকাংশ মেয়েই পুরুষের শরীরে অতিরিক্ত মাসল্ পছন্দ করেন না।

১০. গ্রুমিং করিয়ে নিন:
– সব ঠিকঠাক, কেবল চেহারাটাই অপরিষ্কার। এমনটা হলে কিন্তু মেয়ের দল নো নো বলে পালাবে। তাই মনের মল্লিকাকে সত্যি পেতে হলে, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা মাস্ট!






মন্তব্য চালু নেই