মেইন ম্যেনু

পুলিশের পরকীয়ায় ভেঙ্গেছে তিন সংসার

পুলিশ পাগল দুখিনী নারীর একাধিক অনুরোধে লিখাটি না লিখে পারলাম না। ভাই, এমনি বড় সর্বনাশা আমার নাম ঠিকানা পরিচয় দিয়ে আবার সর্বনাশ করিয়েন না। লিখাটিতে দুখিনী নামে পরিচয় দেয়ার জন্য নাছুড় ছিল বেচারী। তবে শুরুতে লিখবেন দুঃখ আমার জীবন, কষ্ট আমার ভাষা তোরে ভালবেসে জীবন সর্বনাশা। নারী লোভী এক পুলিশ কনষ্টেবলের কারণে পর পর তিন সংসারের ভাঙ্গণ!! পরকীয়ার ফলে পারিবারিক, সামাজি,মানসিক,উভয় পরিবারের প্রতিনিয়ত চলছে যন্ত্রণার ইষ্টিমরোলার। নীরব ভাষায় কেঁদেছি-কেঁদেছে মনের গভীর থেকে আড়ালে আড়ালে কে। কে, অপরাধী উত্তর গুলো খুঁজতে খুঁজতে অস্থিতর ভুক্ত-ভোগীরা।

ঘটনার শুরু…..
চট্টগ্রাম সাতকানিয়া এলাকার বাসিন্দা বেলাল নামে এক পুলিশ কনষ্টেবল বদলির সুবাদে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় যোগাদন করে গেলে কয়েক বছর আগে। ক্রমান্ধয়ে ওই বেলাল তৎকালীন এসপি সার্কেলের সহকারি (অলিখিত) হিসেবে) কর্মরত ছিলেন। তাহলে তো বড় কর্তার নাম ভাংঙ্গিয়ে ওই সময় কমবেশি ক্ষমতা কাটাতে পারতেন এই বেলাল। একদিন দুখিনী পারিবারিক সমস্যা নিয়ে মামলার সুবাদে সদর মডেল থানায় আসেন। মামলাটি কোন না কোন ভাবে এসপি সার্কেলের পর্যন্ত গড়ালে এমন সুযোগে এসপি সহকারি বেলালের সাথে দুখিনী নারীর সাথে পরিচয় হয়।

পরিচয় থেকে….
পরিচয় থেকে তার সাথে পরকীয়া প্রেমের শুরু। মামলাটিতে বেলাল দুখিনীকে নানাভাবে সহযোগিতা করার ফলে সেও খানিকটা তার প্রতি দুর্বল হয়নি এমনিট বলা মুশকিল। ওই সময় এক দিন বেলাল দুখিনীকে বলেন আমার পুলিশ ম্যাচের খাবার ভাল লাগে না। টাকা দিবো আমাকে তোমার ঘরে খাবার সুযোগ করে দাও। এতে দুখিনী রাজী হয়ে গেলে, তাকে বাড়িতে খাবার দেওয়ার জন্য। মনে করেছিল, একজন পুলিশকে খাওয়ালে হয়তো মামলাটি তাদের পক্ষে আসবে। এমন ধারণায় তেমনই সহজে রাজী। বেশ কিছু দিন এইভাবে যাওয়ার পর তাদের সাথে প্রেম গভীর থেকে গভীরে যাচ্ছে। ব্যবসার কারণে দুখিনীর স্বামী বাড়ি থেকে ৩৫ কিলোমিটার দুরে থাকার সুযোগে ওই সময়টা তারা দুজনের পক্ষে আসছে। এর ফাঁকে দুখিনীর স্বামীকে ব্যবসাতে প্রায় লাখ দেড়েক টাকা ওই সময় ধার দিয়েছিলেন বেলাল। কিছু দিন যাওয়ার পর টাকা গুলো বেলাল চাইলে টাকা ফেরত না দেয়ার সুযোগে বাসাতে আর আসতো না ওই স্বামী। এমন সুযোগে বুঝতে পারছেন পরিস্থিতি কি দাঁড়ালেন।

স্বামীর সাথে ঝগড়া…..
বেলালের টাকা ফেরত আর তাদের সর্ম্পক কিছুটা বুঝতে পারায় স্মামী স্ত্রীর সাথে ঝগড়া লাগে। এঘটনা গড়িয়ে তাদের মাঝে মারধরের মতো বড় ঘটনা ঘটেছে। এক পর্যায়ে স্ত্রী বাদি হয়ে থানায় মামলা করেন। ওই মালায় স্বামী বেশ কয়েক মাস জেল কাটেন। এতে তাদের পরকীয়া গভীর হয়।

বেলালের বদলীর চেষ্টা….
সময় শেষে কি হবে পরিনীতি বুঝতে পেরে, বেলাল বলদি হতে তোড়জোড় শুরু করে। দুখিনী বিষয়টি বুঝতে পেরে সর্তক হয়ে যায়। তখন ঈদ চলছিল, দুখিনী বেলালকে টেকানোর চেষ্টা শুরু করে। একদিন ছোট্ট বোনের বাসায় দাওয়াত করে নিয়ে যায় রাতে। ভেতর থেকে দরজা আটকিয়ে কাজী ও সাংবাদিকদের খবর দেয়। আগের স্বামীকে ডির্ভোস দিয়ে চার লাখ টাকা কাবিন মুলে বিবাহ করে দেয়া হয়। এই বিবাহের মাত্র চার দিনের মাথায় বেলালের বাড়িতে এই ঘটনার খবর পেলে বেলালের মা ও বিসিএস ফল প্রার্থী ছোট ভাই কক্সবাজার চলে আসেন।

বিবাহ ভাঙ্গার বিচার…..
কক্সবাজার সদর মডেল থানার তৎকালিন অপারেশন অফিসার ও দুই এসআই এর নেতৃত্বে চার লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ধরে তাদের বিবাহ ভেঙ্গে দেয়া হয়েছিল। বেলাল কক্সবাজার থেকে বদলিয়ে হয়ে হিলটেক এলাকায় চলে যায়। এর মধ্যে দুখিনীর স্বামী জেলহাজত থেকে বের হয়ে দুখিনীকে তালাক দেন। দুখিনী তখন কোন উপায় অন্তর না দেখে অনেক বার অত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। পরে আবার একজন চাকুরীচূত পুলিশের কথা ধরে কক্সবাজার বিজ্ঞআদালতে মামলা করেন। তবে ওই মামালা বেলালের পক্ষ নিয়েছিল। তখন দুখিনী দুকুল হারিয়ে যেন পাগল প্রায়। এর মধ্যে দুখিনীকে নান জায়গায় বিবাহ করার কথা বলেও ওই নারী পুলিশ ছাড়া কাউকে বিবাহ করবে না সাফ জানিয়েদেন। এই জন্য বলছি পুলিশ পাগল দুখিনী। কথায় আছে না প্রেমের মরা জ্বলে ডুবে না। এর মধ্যে তাদের মাঝে একাধিক যোগাযোগ হয়েছে এমন দাবি দুখিনীর। বেলালের পরিবার বুজঝতে পেরে তাকে পূণরায় বিবাহ করার চেষ্টা শুরু করেন।

বেলালের দ্বিতীয় বিবাহ…..
বেলালের পরিবার মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে নিজেকে অবিবাহিত বলে স্থানীয়ভাবে তার জন্য বউ দেখা শুরু করে। পরে দোহাজারী এলাকার আজিজ মেম্বারের মেয়ে তুহিনের সাথে ৭লাখ টাকা কাবিন ধরে বিবাহ হয়। বিয়ের কিছু দিন পর সদ্যবিবাহিতা তুহিনের পরিবার ঘটনাটি জানতে পারলে মাত্র দুই মাসের মাথায় উচ্চ শিক্ষতা তুহিন বেলালের সংসার ছেড়ে চল যায়। অবশেষে বেচারা বেলালের বিরুদ্ধে আবারও মামলা হয় দ্বিতীয় স্ত্রী তুহিনের। খবর রয়েছে ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে তাদের পরিবারে সমঝোতার চেষ্টা চলছে। কিন্তু হচ্ছে না সমঝোতা দু পরিবারের মাঝে বড় বেবদানে বিষাদাগার চলছে। অপর দিকে দুখিনীর স্বামী এক তুরুনীকে দ্বিতীয় বিবাহ করে সুখের সংসার করছেন। দুখিনীর তিন ছেলে সন্তানের মা, সর্বশান্ত দুখিনী সব হারিয়ে সন্তানদের নিয়ে কক্সবাজার শহরে বড় আসহায়ত্ব জীবন যাপন করছে। এত কিছু মূলে অপ্রিয় একটি কথা বলতে হয় সেটি পরকীয়া।






মন্তব্য চালু নেই