মেইন ম্যেনু

পুলিশের সোর্স পরিচয়ে চাঁদাবাজি বন্ধে জিরো টলারেন্স

পুলিশের সোর্স পরিচয়ে চাঁদাবাজি বন্ধে ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স দেখানো হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার। এ ছাড়া সোর্স পরিচয়ে চাঁদা আদায়কারীদের কোনোরকম ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ার করেছেন তিনি।

শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মারুফ হোসেন সরদার আরো বলেন, ‘পুলিশের সোর্স পরিচয়ে কেউ যদি চাঁদাবাজি করে, সে ক্ষেত্রে যার কাছে চাঁদা চাওয়া হবে, অথবা বিষয়টি কারো দৃষ্টিগোচর হলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের কাছে অভিযোগ করবেন। পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। আর এতে পুলিশের কোনো সদস্য জড়িত থাকলে, সে ক্ষেত্রে থানার ওসি ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের উপ-কমিশনারকে জানাতে হবে। জানালে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে ডিএমপির অবস্থান জিরো টলারেন্স, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

সোর্সকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে যাওয়া যায় কি না, জানতে চাইলে মারুফ হোসেন বলেন, ‘এ ধরনের সুযোগ নেই। এটি যদি কেউ করে, তাহলে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে।’

চায়ের দোকানি বাবুল মাতুব্বর হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে শাহ আলী খানার তিন এসআই, এক এএসআই ও এক কনস্টেবলকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া তদন্তের স্বার্থে থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনা তদন্তে দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

গত বুধবার রাতে রাজধানীর মিরপুর গুদারাঘাট এলাকায় চাঁদা না পেয়ে হুড়োহুড়ির সময় বাবুল মাতুব্বর (৪৫) নামে এক চা বিক্রেতার গায়ে আগুন ধরে যায়।তাকে দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় শাহ আলী থানায় পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায় পুলিশ। পরে মাদক ব্যবসায়ী পারুল ও সোর্স দেলোয়ারসহ মোট সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন নিহত বাবুল মাতুব্বরের মেয়ে রোকসানা।






মন্তব্য চালু নেই