মেইন ম্যেনু

‘পুলিশ পেডিকোটের ভেতরেও ঢুকতে পারে’

গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদের চালায় মঙ্গলবার নিজ বাড়িতে গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন এক সেনা সদস্য। তার নাম আবদুর রউফ।

তার ছোট ভাই আশরাফুল ইসলাম জানান, রাজশাহী সেনানিবাসে কর্মরত বড় ভাই আবদুর রউফ ছুটিতে বাসায় রয়েছেন। দুপুরে তিনি তার ছেলেকে বাথরুমে গোসল করাচ্ছিলেন। এ সময় সাদা পোশাকে ডিবি পুলিশের কয়েকজন সদস্য কাউকে কোনো কিছু না বলে বাড়ির ভেতর ঢুকে সোজা বাথরুমে চলে যায়।

আবদুর রউফ বলেন, ডিবির সদস্যরা আমার কাছে জানতে চান আমি স্বাধীন কি না। পরিচয় দেয়া সত্ত্বেও এক দারোগা আমাকে জেরা করতে থাকেন। আমি বাইরে বেরিয়ে তাদের পরিচয় জানতে চাইলে আমাকে সজোরে চরথাপ্পড় মারতে থাকেন।

তিনি জানান, সেনা সদস্য পরিচয় দেয়া সত্ত্বেও ওই ডিবি সদস্য তাকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। এভাবে কেন বাড়ীতে ঢুকে পড়লেন? তারপরও আবার বাথরুমে (ওয়াশ রুম)! এ প্রশ্ন করতেই ডিবির ওই দারোগা বলেন ভাত রুম কেন? প্রয়োজনে পুলিশ পেডিকোডের (মহিলাদের ছায়া) ভেতর ঢুকে পড়তে পারে। এক পর্যায়ে সেনা বাহিনীর ওই সদস্যকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, তোরা তো “ঘাস” কাটা সেনাবাহিনী। এসময় দারোগা বলতে থাকেন, ‘তোকে এখনি হাতকড়া (হ্যান্ডকাফ) পরিয়ে নিয়ে যাব। কিছুই করতে পারবি না’।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত এএসআই আলমগীর হোসেন বলেন, বিষয়টি ‘ভুল বুঝাবুঝি’ হয়েছে। আর কিছুই না।

এবিষয়ে গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) আমির হোসেনকে অবগত করলে তিনি দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন।

দিনের বেলায় কারও বাড়িতে এভাবে পরিচয় না জানিয়ে ঢুকে লাঞ্ছিত করা পুলিশের এখতিয়ারের মাঝে পড়ে কি না-জানতে চাইলে গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এডিশনাল এসপি) শেখ রাসেল বলেন, ‘বিষয়টি অপরাধ হয়েছে। এ ঘটনা এসপি (পুলিশ সুপার) স্যারের কাছে জানাব।’






মন্তব্য চালু নেই