মেইন ম্যেনু

পূজার সময় কমলেও কমতি নেই উৎসবে

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে এখন মণ্ডপে মণ্ডপে মানুষের ঢল। এবার নবমী ও দশমী একই দিনে হওয়ায় পূজার সময় কমেছে একদিন। পূজার সময় কম হলেও উৎসব উদযাপনের আয়োজনে কমতি নেই বলে জানিয়েছেন ভক্তরা।

আজ মঙ্গলবার এ উৎসবের মহাসপ্তমী উদযাপন হচ্ছে। শাস্ত্র অনুযায়ী, বৃক্ষের শক্তিকে উপজীব্য করে সপ্তমীতে দেবী দুর্গার আরাধনা করা হয়। মহাসপ্তমীতে নয়টি ভিন্ন গাছের পাতা দিয়ে প্রথমে নবপত্রিকা প্রতিষ্ঠা, এর পরে কলাবৌ পূজা আর কল্পরাম্ভ বিহিত পূজা।পূজা শেষে মায়ের চরণে অঞ্জলি দিতে ঢল নামে ভক্তদের। পুরোহিত বলেন পূজার মাহাত্ম্যকথা।

বুধবার কুমারী পূজাসহ মহাঅষ্টমীর বিহিত পূজা শুরু হবে সকাল ৮টায়।

অশুভ শক্তির বিনাশ ও বিশ্বের সব প্রাণীর মঙ্গল কামনায় মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৭টায় রাজধানীর বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে হয় মহাসপ্তমী পূজা। এ সময় রাজধানীর বিভিন্ন মণ্ডপে নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে ফুল, বেলপাতা হাতে নিয়ে অঞ্জলি প্রদানের মধ্যে দিয়ে দুর্গা মায়ের আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন।

মহাসপ্তমীতে দুস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করে সর্বজনীন পূজা কমিটি। সন্ধ্যায় হবে আরতি প্রতিযোগিতা।

শ্রী শ্রী রমনা কালীমন্দির ও শ্রী মা আনন্দময়ী আশ্রম পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দয়াময় বিশ্বাস দিপু বলেন, ‘বিশ্বের সব প্রাণীর মঙ্গল কামনায় মণ্ডপে মণ্ডপে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ঢল নেমেছে। সবার মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। উৎসবের সময় কমলেও উদযাপনে কমতি নেই।’

ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের সহসম্পাদক এবং পূজার তন্দ্রধারক স্থিরাত্মানন্দ মহারাজ (নিরঞ্জন মহারাজ)  বলেন, ‘ঈশ্বর সবকিছুর মাঝে রয়েছেন। প্রকৃতির বিভিন্ন সৃষ্টির মধ্য নয়টি গাছের ফুল, ফল, পাতা দিয়ে সব অশুদ্ধকে শোধন করে মাকে পূজা করা হবে।’

বুধবার মহাষ্টমী, কুমারীপূজা, সন্ধিপূজা। ২২ তারিখ মহানবমী পূজা। সনাতন পঞ্জিকা মতে, এবার ২২ অক্টোবর একই দিনে মহানবমী ও বিজয়া দশমী। তবে সারা দেশে ২৩ অক্টোবর বিজয়া শোভাযাত্রাসহকারে প্রতিমা বিসর্জনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। মহালয়ার দিন থেকেই মূলত শুরু হয় দেবী দুর্গার আগমনধ্বনি।

ঢাকা মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সারা দেশে ২৯ হাজার ৭৪টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা হচ্ছে। এর মধ্যে রাজধানীতে মণ্ডপের সংখ্যা ২২২টি।

এদিকে রাজধানীসহ সারা দেশের প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় পুলিশ, আনসার, বিজিবি, র‌্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে। পুলিশ ও র‌্যাবের পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী দায়িত্ব পালন করছে। ঢাকেশ্বরী মন্দিরে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই