মেইন ম্যেনু

পূর্বজন্মে আপনি কী ছিলেন? জেনে নিন এই সহজ পরীক্ষার মাধ্যমে

আপনি কি জন্মান্তরে বিশ্বাস করেন? আপনি কি বিশ্বাস করেন যে, আত্মা অবিনশ্বর? এর উত্তর যদি ‘না’ হয় তাহলে এই পরীক্ষা আপনার জন্য নয়। যদি আপনি বিশ্বাস করেন যে আপনার পূ্র্বজন্ম ছিল এবং সেই জন্ম সম্পর্কে যদি জানতে চান, তাহলে নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলি পরপর মেনে পরীক্ষাটি করুন—

আপনি কি জন্মান্তরে বিশ্বাস করেন? আপনি কি বিশ্বাস করেন যে, আত্মা অবিনশ্বর? এর উত্তর যদি ‘না’ হয় তাহলে এই পরীক্ষা আপনার জন্য নয়। যদি আপনি বিশ্বাস করেন যে আপনার পূ্র্বজন্ম ছিল এবং সেই জন্ম সম্পর্কে যদি জানতে চান, তাহলে নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলি পরপর মেনে পরীক্ষাটি করুন—

১. শোবার ঘরটিকে পরীক্ষার জন্য তৈরি করুন:
ঘরের দরজা-জানলা বন্ধ করে পর্দা টেনে দিন। ঘরের তাপমাত্রা নাতিশীতোষ্ণ হলে ভাল। মিউজিক সিস্টেম বা মোবাইলে হোয়াইট নয়েজ (টিভিতে কোনও ছবি না থাকলে যেরকম শব্দ হয়) বা ব্রাউন নয়েজ (দূরাগত সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো শব্দ)-এর কোনও অডিও পিস চালিয়ে দিতে পারেন। নেট সার্চ করলেই আপনি আপনার পছন্দমতো পিস পেয়ে যাবেন।

২. মন ও শরীরকে একেবারে শিথিল করে দিন:
বিছানায় চিৎ হয়ে চোখ বন্ধ করে শুয়ে হাত-পা দু’দিকে ছড়িয়ে দিন। কোনও মাংসপেশী শক্ত করে রাখবেন না। মনে কোনও রকমের কোনও চিন্তা রাখবেন না। মনকে এক‌েবারে শূন্য করে দিন। এইভাবে কয়েক মিনিট কাটবার পরে আপনার মন মূল পূর্বজন্মে ফিরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হবে।

৩. কল্পনা করু‌ন একটা সাদা রঙের মৃদু, খুব আরামদায়ক আলোর বৃত্ত আপনাকে ঘিরে রেখেছে। কোনও নেতিবাচক শক্তি বা মন খারাপ করে দেওয়ার মতো ভাবনার ক্ষমতা নেই এই আলোর বৃত্ত ভেদ করে আপনার কাছে পৌঁছবার। আপনার সঙ্গে এই মুহূর্তে খারাপ কিছু ঘটতেই পারে না।

৪. মনে মনে আবৃত্তি করুন, ‘‘আমি এখন এক উপকারী শক্তির দ্বারা পরিবৃত। এই মুহূর্তে আমার কোনও ক্ষতি কেউ করতে পারবে না।’’

৫. বৃত্তটির উষ্ণতা অনুভব করতে শু‌রু করার পরে কল্পনা করুন, আপনি একটা বিরাট ঘরের মধ্যে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। ঘরের একেবারে শেষপ্রান্তে রয়েছে একটি দরজা। আপনার কল্পনামতো ঘরটিকে আপনি সাজিয়ে নিন। আপনি কল্পনা করতে পারেন যে, ঘরটি সাদা মার্বেল পাথরে তৈরি, অথবা সোনায় মোড়া— যেমনটা আপনার কল্পনায় আসে।
৬. এরপর আপনি কল্পনা করুন এক পা এক পা করে এগিয়ে যাচ্ছেন ঘরের শেষ প্রান্তের দরজাটির দিকে।

যাওয়ার পথে আপনার পায়ের তলায় মাটির স্পর্শ পাচ্ছেন, না ঘাসের, না অন্য কিছুর তা নিবিড়ভাবে অনুভব করুন।

৭. দরজাটির কাছে একটা গভীর শ্বাস গ্রহণ করুন এবং দরজাটা আস্তে আস্তে খুলে ফেলুন।

৮. দরজা খুলে যা দেখছেন তাকে স্বীকার করুন। হয়তো দেখতে পেলেন একটি শিশু পড়ে রয়েছে মাটিতে, বা একদলা হলুদ রঙ পড়ে রয়েছে আপনার পায়ের কাছে। যা-ই দেখুন না কেন, তাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন ও অনুভব করুন। শিশুটিকে কোলে তুলে নিন, হলুদ রঙের দলাটির দিকে ভাল করে তাকান। হয়তো দেখতে পাবেন, রঙের দলাটি একটি কার্পেটের উপর পড়ে থাকা একফালি রোদ্দুর। এবার খেয়াল করে দেখুন, কার্পেটটি যে ঘরে পাতা আছে সেই ঘরটি কেমন। সবকিছু ভালভাবে লক্ষ করুন।

৯. এমনও হতে পারে যে সেই দরজা খুলে আপনি কিছুই দেখতে পেলেন না। সেক্ষেত্রে কল্পনার মধ্যেই আপনার পায়ের দিকে তাকান। আপনি কি খালি পায়ে রয়েছেন, নাকি কোনও চটি বা জুতো পরে আছেন? আপনার পরণের পোশাক কী? কেন পরে রয়েছেন সেই পোশাক? এইভাবে ভাবনাকে বিস্তারিত করুন। দেখবেন, কল্পনার জগতে নতুন নতুন দৃশ্য উন্মোচিত হচ্ছে।

১০. যা কিছু আপনি দেখতে পাচ্ছেন, তার মধ্যে আপনার পূর্বজন্মের কিছু উপাদান রয়েছে। কিন্তু সেগুলি ঠিক কোনগুলি তা নিশ্চিৎভাবে চিহ্নিত করতে হলে আপনাকে নিয়মিত এইভাবে ধ্যান করতে হবে। প্রতিবার আগে যত পর্যন্ত দেখেছিলেন তার পর থেকে কল্পনা করা শুরু করবেন। এই ধ্যান প্রক্রিয়ায় কোনও কোনও দৃশ্য বা প্রতীক দেখবেন বারবার ঘুরেফিরে আসবে। সেই বিষয়গুলোকে একটা সূত্র দিয়ে গেঁথে নিতে পারলেই দেখবেন, আপনার পূ্র্বজন্ম সম্পর্কে আপনার ধারণা অনেকটা স্পষ্ট হবে।






মন্তব্য চালু নেই