মেইন ম্যেনু

পৃথিবীকে বাঁচাতে হাজার হাজার মানুষ নগ্ন! অতপর…

কেউ আসছেন হেঁটে। কেউ ক্রাচে ভর করে। হুইল চেয়ারেও আসছেন অনেকে। হাজার হাজার মানুষ জড়ো হচ্ছেন সিটি সেন্টারে। সকলেই নগ্ন। হাড়হিম করা বাতাস বইছে। মেঘলা আকাশ। তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ঘরে। সব কিছু উপেক্ষা করেই গোটা শহর নগ্ন এক শিল্পীর ডাকে।

বৃহত্তর ক্ষেত্রে বলতে গেলে, মানব সভ্যতা, পৃথিবীকে বাঁচানোর তাগিদে। মার্কিন শিল্পী স্পেন্সার টিউনিকের আহ্বানেই নগ্ন হল ব্রিটিশ শহর হাল।

বিশ্ব উষ্ণায়ণের জেরে বাড়ছে সমুদ্রের পানি। বরফ গলছে দ্রুত হারে। বরফশূন্য হচ্ছে সুমেরু। এহেন পরিস্থিতিতে মানবসভ্যতাই ধ্বংসের মুখে। এই সমুহ বিপদ থেকে বাঁচার বার্তা দেওয়াই ছিল স্পেন্সারের ফটোগ্রাফির বিষয়বস্তু। তাই হাল শহরে তিনি আহ্বান জানান, প্রতিটি নাগরিক নগ্ন হয়ে শরীর নীল রঙে রাঙাবে। সেই নগ্ন-নীল শহরের ছবিতেই বিশ্বকে সমুদ্রপৃষ্ঠ বাড়ার অশনিসঙ্কেত সম্পর্কে সচেতন করবেন।
গোটা শহর এভাবে সাড়া দেবে ভাবতে পারেননি স্পেন্সার। তার কথায়, এর আগেও আমি নগ্ন জনতার ছবি তোলার কাজ করেছি। তবে হাল এভাবে সাড়া দেবে, আমি ভাবতে পারিনি। প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষ আমাকে ছবি তুলতে সাহায্য করেছেন। আমি জাস্ট অভিভূত।

হাল সিটি সেন্টারের রাজপথ বন্ধ করে দেওয়া হয় রাত থেকেই। সকাল হতেই সাড়ে ৩ হাজার মানুষ নগ্ন হয়ে জড়ো হন সেই রাস্তায়। শুধু একজন শিল্পীর ডাকে। কোনও রকম পয়সা বা সুযোগের বিনিময়ে নয়।

সারা হসাক নামে ৩০ বছর বয়সি এক শিক্ষিকার কথায়, আমরা সবাই নিজের ইচ্ছেয় সাড়া দিয়েছি। মানুষ নগ্ন হবে, এতে তো দোষের কিছু নেই। এ এক অন্য অনুভূতি…






মন্তব্য চালু নেই