মেইন ম্যেনু

পৃথিবীর মারাত্মক সব আগ্নেয়গিরি

বিশ্বে আছে কতরকমের বিস্ময়। সৃষ্টির শুরু থেকে আজ অব্দি ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তন চলছে। কোথাও পর্বতমালা, কোথাও আগ্নেয়গিরি, কোথাও ভুমিকম্পে পৃথক হয়ে যাওয়া ভূখন্ড এমন নানান পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাওয়া পৃথিবী আজ অনেকটাই শীতল। তবু সমুদ্র তলদেশে, দূর কোন দ্বীপে এখনও আছে জীবন্ত আগ্নেয়গিরি। এমনই কয়েকটি আগ্নেয়গিরির কথা জানব আজ।

সাকুরাজিমা জাপান
এই আগ্নেয়গিরিটি জাপানে অবস্থিত। একসময় সাকুরাজিমা ভিন্ন একটি আগ্নেয় দ্বীপ ছিল। ১৯১৪ সালের অগ্ন্যুৎপাতের পর এই বিপজ্জনক দ্বীপটি জাপানের মূল ভূখন্ডের সাথে যুক্ত হয়ে যায়। এটি ভয়ঙ্গকরভাবে এখনও সক্রিয়।

উলাউন, পাপুয়া নিউগিনি
স্থানীয়ভাবে একে বলা হয় বাবা উলাউন। এটি একটি সিমেট্রিকাল ভলকানো যা নিউ ব্রিটেনে অবস্থিত। এর উচ্চতা ২৩৩৪ মিটার। একে বলা হয় ১০০০ কিলোমিটার বিস্তৃত বিসমার্ক ভলকানো চেইনে সর্বোচ্চ ভলকানো বলা হপয় একে। ১৭০০ সাল থেকে এখানে ২২ টি অগ্ন্যুৎপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি এখনও সক্রিয়।

নায়রাগংগো, গণপ্রজাতান্ত্রিক কংগো
আফ্রিকার সবচেয়ে সক্রিয় ভলকানো বলা হয় এটিকে। এর লাভা লেকগুলো খুবই বিখ্যাত। পাহাড়ের গর্তে লাভাগুলো জমে থাকে। এটি আসপাশের জনবসতির জন্য খুবই শংকাজনক। এর অগ্ন্যুৎপাতের ভয়াবহতা লাভাকে অনেক দূর গড়িয়ে নিয়ে গেছে। মানুষের বসবাসের জন্য এটি খুবই বিপদজ্জনক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মেরাপি, ইন্দোনেশিয়া
মেরাপি অর্থ আগুনের পাহাড়। এটি বিশ্বের অন্যতম স্বক্রিয় এবং বিপজ্জনক আগ্নেয়গিরি হিসেবে পরিচিত। ১৫৪৮ সাল থেকে এখানে নিয়মিত অগ্ন্যুতপাত হয়, ১০,০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এটি স্বক্রিয় আছে। এই আগ্নেয়গিরির কাছেই ইয়গিয়াকার্তায় হাজারো মানুষের আবাসস্থল যা ভপয়ংকর বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে।

গেলেরাস, কলোম্বিয়া
এই আগ্নেয়গিরি কলোম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত। এটি ১ মিলিয়ন বছর ধরে সক্রিয় আছে। এখানে অনেক অগ্ন্যুতপাত হয়েছে , তবে শেষ অগ্ন্যুৎপাত রেকর্ড করা হয় ১৫৮০ সালে। এই ভলকানোর কাছেই পাস্তো শহরে ৪,৫০,০০০ জনগণের বসতি। এটি ১৯৭৮ সালে সুপ্ত রূপ ধারণ করে, তবে ১০ বছর পর ১৯৮৮ সালে আবার স্বক্রিয় হয়ে ওঠে। ২০০০ সাল পর্যন্ত এখানে অগ্ন্যুৎপাত হতেই থাকত।






মন্তব্য চালু নেই