মেইন ম্যেনু

পৃথিবীর সবচাইতে বড় স্বর্ণভান্ডারের অধিকারী দেশগুলো

পৃথিবীর তার জন্মলগ্ন থেকেই নিজের ভেতরে লুকিয়ে রেখেছে অনেক অনেক মূল্যবান খনিজ পদার্থ। তবে তাদের সবার ভেতরে যে খনিজটি সবসময়েই মানুষকে অনেক বেশি আকর্ষন করেছে সেটা হচ্ছে স্বর্ণ। সত্যি বলতে কি, নারী-পুরুষ সবার কাছেই সমান জনপ্রিয় হয়ে থেকেছে এই খনিজটি। যেখানে যখন সোনার কোন খনির খোঁজ পেয়েছে মানুষ ছুটে চলে গিয়েছে আর তোলার চেষ্টা করেছে সেটার পুরোটা। আর এই স্বর্ণদৌড়ে সবসময়কার মতন এ বছরেও এগিয়ে রয়েছে হাতে গোনা কয়েকটি দেশ। যাদের হাতে বর্তমানে রয়েছে সবচাইতে বেশি স্বর্ণের ভান্ডার। জানতে চান সেগুলো কোন দেশ? চলুন জেনে আসি সেই তথ্যটিই আজকের এই আয়োজনে।

১. ভারত

উন্নয়নশীল দেশগুলোর ভেতরে অন্যতম হলেও বর্তমানে এশিয়ার এই অন্যতম বৃহত্ দেশটির রয়েছে প্রায় ৫৫৭.৭ টন স্বর্ণের ভান্ডার ( বিজনেস ইনসাইডার )। কিন্তু নিজেদের পুরোন বিশ্বাসের, স্বর্ণের ওপর টাকা খরচ করলে সেটায় আরো ক্ষতি হয়, ভিত্তিতে নিজেদের এই ভান্ডারের দিকে খুব একটা মনযোগ নেই আজ অব্দি এই দেশটির ( এসকেপ হেয়ার )।

২. নেদারল্যান্ড

গত বছরে নেদারল্যান্ড হঠাৎ করে নিজেদের কিছু স্বর্ণ বিক্রি করতে চাইলেও কিছুদিনের ভেতরেই সে ইচ্ছেটা শেষ হয়ে যায় এ দেশটির। বর্তমানে আর তেমন এ পথে যেতে ইচ্ছুক নয় এ দেশটি। মূলত, কখনো তেমন একটা হাত দেয়ওনি এ দেশের মানুষেরা নিজেদের এই হলুদ টাকার ওপর। বর্তমানে নেদারল্যান্ডের হাতে রয়েছে প্রায় ৬১২.৫ টন স্বর্ণ।

৩. জাপান

১৯৫০ সালেও মাত্র ৬ টন স্বর্ণ ছির এ দেশটিতে। তবে ১৯৫৯ সালেই জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্বর্ণের ওপর বিশাল পরিমাণ টাকা ঢালে আর কিনে নেয় প্রচুর সোনা। বর্তমানে এ দেশে রয়েছে ৭৬৫.২ টন স্বর্ণের মজুদাগার। যদিও মাঝে সুনামী ও বেশকিছু দুর্যোগে নিজেদের কিছু পরিমাণ স্বর্ণ বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়েছিল দেশটি।

৪. সুইজারল্যান্ড ও রাশিয়া

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের দেওয়া তথ্যনুসারে বর্তমানে সুইজারল্যান্ডের রয়েছে ১,০৪০ টন স্বর্ণের মজুদাগার। এক্ষেত্রে দেশটিকে অনেকটাই বাধ্য করেছে এর নাগরিকেরা। অন্যদিকে ২০১৫ সালে স্বর্ণেরর অন্যতম ক্রেতা হয়ে রাশিয়ার বর্তমানে নিজের স্বর্ণভান্ডারকে নিয়ে গিয়েছে ১৩৫২.২ টনে।

৫. চীন ও ফ্রান্স

মাঝখানে চীন একটুখানি চুপ হয়ে গেলেও কিছুদিন হল আবার নিজের স্বর্ণের ভান্ডারের প্রকৃতিকে পরিবর্তন করতে এগিয়ে এসেছে এটি। বর্তমানে এ দেশটিতে স্বর্ণ রয়েছে প্রায় ১,৭০৮.৫ টন। অন্যদিকে ফ্রান্সের কথা বলতে গেলে দেশটির ডানপন্থী নেতা মেরিন লে পেনের ভূমিকা সম্পর্কে প্রথমেই বলতে হয়। যিনি কিনা ২০১৪ সালে নিজের দেশের স্বর্ণের ভান্ডার বাড়াতে প্রচন্ড উত্সাহ দেন ও লেখালেখি করেন। বর্তমানে দেশটির স্বর্ণের মজুদ গিয়ে দাড়িয়েছে ২,৪৩৫.৫ টনে।

৬. ইতালি ও জার্মানি

২০১৩ সালে ইতালির কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্র্ণের মজুদাগারকেই নিজেদের মুক্তির অন্যতম উপায় বলে জানান। বর্তমানে এ দেশটির স্বর্ণভান্ডারে রয়েছে প্রায় ২,৪৫১.০ টন সোনা। অন্যদিকে জার্মানির হাতে রয়েছে প্রায় ৩,৩৮১ টন পরিমাণের স্বর্ণ।

৭. আমেরিকা

১৯৫২ সালে আমেরিকার স্বর্ণের মজুদ ছিল পৃথিবীর সব দেশের চাইতে বেশি। তখন এর পরিমাণ ছিল প্রায় ২০,৬৬৩ টন। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে সে পরিমাণ কমতে থাকে আর ১৯৬৮ সালে গিয়ে সেটা হয় মাত্র ১০,০০০ টন। বর্তমানে এ দেশটির স্বর্ণের ভান্ডার রয়েছে মোট ৮১৩৩.৫ টন স্বর্ণ।






মন্তব্য চালু নেই