মেইন ম্যেনু

পেপার ন্যাপকিন নয়, ব্যবহার করুন কাপড়ের ন্যাপকিন

খাওয়ার পর হাত ধুয়ে বেশির ভাগ বাড়িতে তোয়ালেতেই হাত মোছার চল। তবে অতিথি এলে সকলেই চান রেস্তোরাঁর মতো টেবিলে ন্যাপকিন সাজিয়ে দিতে। দেখতে যেমন ভাল লাগে, তেমনই পরিচ্ছন্নতাও বজায় থাকে। তবে জানেন কি পেপার ন্যাপকিনের বদলে কাপড়ের ন্যাপকিন ব্যবহার করা অনেক বেশি সুবিধাজনক?

শুনে ভাবছেন ধুর! কাপড়ের ন্যাপকিন মানেই ঝক্কি। কেচে, ধুয়ে আবার পরিষ্কার করতে হবে। তার চেয়ে পেপার ন্যাপকিন ব্যবহার হয়ে গেলে ফেলে দিলেই হল। কিন্তু কাপড়ের ন্যাপনিক ব্যবহারের বেশ কিছু ভাল দিকও রয়েছে। যে কারণে বেশির ভাগ রেস্তোরাঁও এখন কাপড়ের ন্যাপকিনেই আপ্যায়ন সারছেন অতিথিদের। জেনে নিন কাপড়ের ন্যাপকিন কেন বেশি সুবিধাজনক।

কাপড়ের ন্যাপকিন রিসাইকল করা যায়। পেপার ন্যাপকিনের ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয়। এক বার ব্যবহারের পরই ফেলে দিতে হয় পেপার ন্যাপকিন। পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে তাই কাপড়ের ন্যাপকিন অনেক বেশি সুবিধাজনক।

পেপার ন্যাপকিনের দাম যদিও বেশি নয়, তবু প্রতি মাসে কিনতে থাকলে খরচ বাড়তে থাকবে। অন্য দিকে কাপড়ের ন্যাপকিন বার বার কেচে ব্যবহার করা যায় ফলে প্রতি মাসে কেনার খরচ নেই।
পেপার ন্যাপকিনের থেকে দেখতেও বেশি ট্রেন্ডি লাগে কাপড়ের ন্যাপকিন। বাড়িতে নিমন্ত্রিত অতিথিদের খাবারের টেবিলে সুন্দর কাপ়ড়ের ন্যাপকিন সাজিয়ে দিলে সকলে আপনার রুচিরও প্রশংসা করবেন।

কেমন কাপড়ের ন্যাপকিন ব্যবহার করবেন?
পলিয়েস্টারের বদলে সুতি বা লিনেনের ন্যাপকিন ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারের জন্য একটু গাঢ় রঙের বা প্রিন্টেড ন্যাপকিন ভাল। এতে দাগ, ছোপ বেশি ধরে না। পেপার ন্যাপকিনের মতোই বিভিন্ন রঙের কাপড়ের ন্যাপকিন এক ডজন বা আধ ডজন সেটে কিনতে পাওয়া যায়। যদি কিনতে না চান বাড়িতেও বানিয়ে নিতে পারেন।






মন্তব্য চালু নেই