মেইন ম্যেনু

পেয়ারা গাছের পাতায় মানুষের মুখ, এক নজর দেখতে উৎসুক জনতার ভীড়

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, পেয়ারা গাছের পাতায় ভেসে উঠেছে মানুষের মুখ। অবিশ্বাস্য এ ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে। আর এই ঘটনা স্বচক্ষে এক নজর দেখার জন্য ভিড় করছে দূর দূরান্ত থেকে আসা শত শত মানুষ।

জানা যায়, উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের কাগমাড়িপাড়া গ্রামের মোঃ আলমগীর খান বাজার থেকে দুটো পেয়ারার চারা কিনে এনে তার শোবার ঘরের সামনে রোপন করেন। দীর্ঘদিন পর গাছ দুটিতে পেয়ারা আসতে শুরু করে। আর সেই পেয়ারা গাছের পাতার মধ্য গতকাল বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে হঠাৎ দেখা মেলে অবিকল মানুষের মুখ। তাৎক্ষণিক এ ঘটনা জানাজানি হলে পেয়ারার পাতা গুলো দেখতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে দলে দলে আসতে থাকে উৎসুক জনতা।

এ বিষয়ে কথা হয় আলমগীরের স্ত্রী রেহানা বেগমের সাথে। তিনি জানান, বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠে হাত মুখ ধুয়ে যখন ঘরের বারান্দার দিকে আসি তখন হঠাৎ করেই চোখ যায় কিছু পেয়ারার দিকে। এগিয়ে যাই পেয়ারা তোলার জন্য। পরে পেয়ারা তোলার সময় আমার ছোট ছেলে রাহুল পাতার মাঝে কিছু একটা দেখতে পেয়ে তখনই আমাকে দেখার জন্য বলে। আর আমি পাতা তুলে দেখি পাতার ভিতর দেখতে অবিকল মানুষের মুখ। তা দেখে আমি তাৎক্ষণিক আশে পাশের লোকজনকে পাতাগুলো দেখাই। পরে এ ঘটনা একে অপরের কাছে শুনে গ্রাম ও গ্রামের বাহির এলাকা থেকে পাতাটি দেখতে উচ্ছুক জনতা ভিড় জমায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পেয়ারা গাছের পাতায় অবিকল মানুষের মতই চোখ, নাক, কান, গলা, মাথা ও চুল দেখা যায়। আর অবিশ্বাস্য এ ঘটনাটি দেখতে ছুটে এসেছেন জেলার ঘাটাইল, কালিহাতী, গোপালপুর ও মধুপুরের শত শত লোকজন।

এদিকে এ ঘটনাকে অলৌকিক ঘটনা বলে উল্লেখ্য করেছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়রা বলেন, এর রকম ঘটনা আজ পর্যন্ত কোথাও দেখেনি এবং এরকম কথাও শুনেনি। এটি একটি অলৌকিক ঘটনা। এটি মানুষের মতই আকার ধারণ করলেও পুরোপুরি তা সম্পূর্ণ নয়। এটি বানরের মুখের মত আকার ধারণ করেছে বলে জানান তারা।

উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের জাইলুর রহমান নামে এক ব্যক্তি বলেন, পাতায় যে মানুষের ছবি তা শুনে আমি বিশ্বাস করতে পারিনি বলে ছুটে যাই কাগামাড়িপাড়া সেখানে দেখি ঘটনা সত্য। এতে আমি অবাক হয়ে পাতার দিকে তাকিয়ে থাকি।

উর্মি আক্তার নামে এক তরুণী বলেন, এ ঘটনাটি আমার ছোট ভাইয়ের কাছে শুনি এবং এটি নিজের চোখে দেখতে চলে আসি ঐ পাতাগুলো দেখতে। পরে ঘটনা নিজ চোখে দেখে অবিশ্বাস করতে পারিনি। শিয়ালকোল থেকে আসা সামিয়া সায়মা বলেন, এ ঘটনার কথা শুনেই যাচ্ছিলাম। পরে বাস্তবে স্বপরিবারে দেখতে আসি, আর এসে অবাস্তব ঘটনাটি স্বচোখে দেখি।

উল্লেখ্য, এর আগেও এই বাড়িতে এরকম ঘটনা হয়েছিল। তবে সেটি অন্যরকম ছিল বলে জানান আলমগীরের ছেলে রাহুল খান।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই