মেইন ম্যেনু

পোল্যান্ড ও জার্মানির দিকে সীমান্ত সম্প্রসারণ করবে রাশিয়া

ইউক্রেনের সঙ্গে চলমান বিবাদে রাশিয়াকে থামানো সম্ভব না হলে পোল্যান্ড, এমনকি জার্মানির সঙ্গে সীমান্তে নিজেদের ভূখণ্ড সম্প্রসারিত করতে থাকবে রুশ কর্তৃপক্ষ। কয়েকদিন আগে রাশিয়া থেকে মুক্তি পাওয়া ইউক্রেনের রাজনীতিবিদ ও পাইলট নাদিয়া শেভচেঙ্কো এমন সতর্কতাই দিয়েছেন।

মুক্তি পাওয়ার পর এই প্রথম বিদেশি গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনের জন্য আরো কিছু করতে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান নাদিয়া। এছাড়া রাশিয়া যাতে দ্রুত হোক অথবা দেরিতে হোক তার অদূরদর্শী কর্মকাণ্ড বন্ধ করে সেজন্য দেশটিকে চাপ দেয়ার জন্যও আহ্বান জানান তিনি।

ইউক্রেনের যুদ্ধ হেলিকপ্টারের প্রথম নারী পাইলট নাদিয়াকে (৩৫) ২০১৪ সালের জুনে গ্রেপ্তার করে রুশ বাহিনী। এরপরই তার বিষয়টি গণমাধ্যমে ব্যাপকহারে আসে এবং বিশ্বব্যাপী তিনি পরিচিতি লাভ করেন। রাশিয়ার কারাগারে থাকা অবস্থায়ই নাদিয়া ইউক্রেন সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য টেলিগ্রফকে তিনি বলেন, ‘আমি বুঝতে পেরেছে ইউক্রেনের বিষয়ে পশ্চিমাদের আরো সতর্ক হওয়া দরকার। কেউ একটা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ চায় না।’

নাদিয়া আরো বলেন, ‘ইউরোপ এবং আমেরিকার জন্য এটা কিছু সময়ের অস্বস্তি হতে পারে। তবে তাদের বোঝা দরকার, তারা যদি ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়াকে ঠেকাতে না পারে তাহলে পরবর্তীতে রাশিয়া পোল্যান্ড এবং জার্মানির দিকে তাদের সীমান্ত সম্প্রসারণ করবে।’

এমন একটা সময়ে নাদিয়া এই মন্তব্য করলেন যখন ২০০৮ সালে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করা ইউক্রেন এবং জর্জিয়া নিজেদের ন্যাটোভুক্ত করার জন্য সংস্থাটির সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। ইউক্রেন সংসদের পররাষ্ট্র কমিটির প্রধান হান্না হপকো জানান, ন্যাটোর সদস্যভুক্ত হলে তার দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। যুদ্ধ শুরু হওয়া পর এ পর্যন্ত ইউক্রেনের ৯ হাজার ৩০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে বলেও জানান তিনি।

তবে ন্যাটের সদস্যভুক্ত হওয়া ব্যাপারে নাদিয়া বলেন, ন্যাটোর সমর্থন পশ্চিমাদের পক্ষ থেকে একটি মাত্র সাহায্য। আরো বিভিন্নভাবে সাহায্য প্রয়োজন। নিজেদের দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে চান বলেও বিদেশি গণমাধ্যমগুলোকে জানান নাদিয়া।






মন্তব্য চালু নেই