মেইন ম্যেনু

পোষা প্রাণী হতে পারে রোগের কারণ

বাড়িতে পোষা প্রাণী রাখার শখ অনেকেরই। ঘরে ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই আশেপাশে তার ঘুরঘুর। পোষা কুকুর বা বিড়ালটি আদর নেবে কোল ঘেষে। এমন সময় মালিকও তার পশমী গায়ে হাত বুলিয়ে কি যেন একটা সুখ অনুভব করে। তাছাড়া কুকুর, বিড়াল তো অনেক শিশুর খেলার সঙ্গী। এমনকি কেউ এক বিছানায়ও ঘুমায়। এছাড়া নানা জাতের পাখি মানুষের প্রিয় পোষা প্রাণীর একটি। আতঙ্কের ব্যাপার হল, প্রাণীদের গায়ে থাকা নানা রোগ জীবাণু হতে পারে আপনার মারাত্মক রোগের কারণ। যেমন-

কুকুরের লোমে অ্যালার্জি

পোষা কুকুরের লোম থেকে শিশুদের শরীরে অ্যালার্জির সংক্রমণ ঘটতে পারে। পরবর্তীতে এটি মারাত্মক আকার হয়ে থাকে। আমাদের দেশে পোষা প্রতিটি কুকরকে সময় মতো জলাতঙ্ক রোগের টিকা দেয়ার প্রচলন নেই। কুকুরের বিভিন্ন অসুখের টিকাও ঠিকমতো দেয়া হয় না। তাই আতঙ্ক বেড়ে যায় আরও বেশি।

বিড়ালের লোমে চুলকানি

বিড়ালের লোমে চুলকানি খুবই বিপজ্জনক! অসুস্থ বিড়ালের ক্ষত থেকে মানুষে শরীরে এই চুলকানি সংক্রমিত হয়। তবে বিড়াল নিজে বছরের পর বছর এই রোগের জীবাণু রক্তের মধ্যে বহন করতে পারে। শতকরা ১৩টি বিড়ালই এ ধরনের রোগের ভাইরাস বহন করে। মানুষের এ রোগ হলে অল্পক্ষণের জন্য জ্বর হয় এবং চুলকানির ফলে বিভিন্ন জায়গা ফুলে যায়। এজন্য বিড়ালের লোম, লালা বা নখের আঁচড় থেকে সাবধান থাকা জরুরি।

বসন্ত রোগের কারণ গরু

প্রায়ই গরুর বসন্ত রোগ হয়ে থাকে। বিশেষ করে বাছুর গরুর বেশি হয় এই রোগটি। এদের থেকে মানুষের দেহেও এই গো-বসন্ত রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। তবে যাদের সাধারণ বসন্তের টিকা দেয়া থাকে, তারা গরু-বসন্তে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিমুক্ত। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় দুধ দোহনের সময়ই এ রোগ মানুষের শরীরে ছড়ায়। বিশেষকরে প্রথমেই আক্রান্ত হয় হাত।

পোষা পাখিতে জু-নোজ

টিয়া, কাকাতুয়া, ময়না বা কবুতর অসুখ হচ্ছে ‘জু-নোজ’। এতে শিশু এবং দুর্বল চিত্তের মানুষ সহজে আক্রান্ত হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টিয়া পাখি বা কবুতরের শুকনো মল বা বিষ্ঠা থেকে বাতাসের মাধ্যমে মানুষেকে সংক্রমিত করে।

ইবোলা ছড়ায় বাঁদুর

সম্প্রতি আবিষ্কার হয়েছে ‘ইবোলা’র প্রথম বাহন বাঁদুর। পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি এলাকায় মানুষের খুব প্রিয় বাঁদুরের মাংস। আমাদের দেশেও এক শ্রেণির মানুষের কাছে বাঁদুরের মাংস খুবই প্রিয়। ইবোলার ভাইরাসও প্রথম মানুষের শরীরে প্রবেশ করেছে এই মাংসের মাধ্যমে। তারপর একজন মানুষের শরীর থেকে অন্যজনের শরীরে সংক্রমিত হয়। এভাবেই ছড়িয়ে পরে ভয়ংকর ইবোলা ভাইরাস।






মন্তব্য চালু নেই