মেইন ম্যেনু

‘পৌর নির্বাচন দখলে নেওয়ার প্রয়াস চালাচ্ছে সরকার’

আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সরকারের ক্যাডার বাহিনীদের ব্যবহার করে সরকার পৌর নির্বাচনকে নিজেদের দখলে নেওয়ার প্রয়াস চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

এই অবস্থায় নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হলে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রোববার সকালে নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন তিনি।

রিজভী অভিযোগ করেন, ‘পৌর নির্বাচনে নেতিবাচক জনমত টের পেয়ে জনবিচ্ছিন্ন সরকার মধ্যযুগীয় বর্বরতা নিখুঁতভাবে অনুসরণ করছে।’

ইসিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন অবাধ ও স্বচ্ছ হবে নিশ্চিত করতে হলে, নির্বাচন কমিশনকে সরকারের ইশারায় কাজ করছে না সেটি প্রমাণ করতে হবে। প্রকৃত গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হলে নির্বাচন কমিশনের স্বতন্ত্র ও স্বাধীন ভূমিকার কোনো বিকল্প নেই। এটি করতে না পারলে তা গণতন্ত্রের জন্য বিপদ ডেকে আনবে এবং ইসি একটি সাংবিধানিক আগাছায় পরিণত হবে।’

‘দেশে এখন আওয়ামীকরণ নয়, হাসিনায়ন চলছে’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এক ব্যক্তির দুঃশাসন থেকে দেশবাসীকে পরিত্রাণ পেতে হলে প্রকৃত গণতন্ত্রের চর্চার জন্য স্বচ্ছ নির্বাচন অপরিহার্য।’

দেশে গুম, গুপ্তহত্যা ও বিচারবহির্ভুত হত্যাকাণ্ড বেড়ে চলেছে দাবি করে রিজভী বলেন, ‘এই অবস্থায় পৌর নির্বাচন কতটা শান্তিপূর্ণ, স্বচ্ছ এবং জনগণ কতটুকু নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পারবে তা বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

সকল প্রকার ভয়ভীতি ও উৎপীড়ন উপেক্ষা করে জনগণ এবং নেতা-কর্মীদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

রিজভী অভিযোগ করেন, ‘পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির নেতা-কর্মীদের নির্যাতন, আক্রমণ ও গণগ্রেফতার বেড়েই চলেছে। ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, যশোর, ফরিদপুর, নোয়াখালী ও ফেনীতে সরকার সমর্থকদের নির্যাতনে নেতা-কর্মীরা বাড়িছাড়া হয়ে পড়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতাদের মধ্যে ফজলুল হক মিলন, কাজী আসাদুজ্জামান, আবদুস সালাম আজাদ, আবদুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহিন, শিরিন সুলতানা, বেলাল আহমেদ, শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।






মন্তব্য চালু নেই