মেইন ম্যেনু

প্রতিদিনের ছোট্ট কিছু কাজ চিরকাল প্রতিরোধ করবে কিডনি সমস্যা

কিডনি আমাদের দেহের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। দেহে জমতে থাকা প্রতিদিনের ক্ষতিকর টক্সিন ছেঁকে বের করার মতো জরুরী কাজটি কিডনি করে থাকে। দেহের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটি খুব সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে আপনার ভুলের কারণে। কিডনি সমস্যা দেহের মারাত্মক সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম। সবচাইতে ভয়াবহ ব্যাপার হচ্ছে কিডনি সমস্যা এমন পর্যায়ে কিডনির রোগ ধরা পড়ে যখন কিছুই করার থাকে না। আর এ কারণেই প্রতিবছর কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত হয় হাজার হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করে থাকেন। তাই নিজের কিডনির জন্য কোন কাজটি ভালো এবং কোনটি ক্ষতিকর তা বিবেচনা করতে হবে আপনাকেই। প্রতিদিনের কিছু কাজের অভ্যাস আপনা কিডনিকে সুস্থ রাখবে চিরকাল।

১) স্বাস্থ্যকর খাবার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এমন খাবার রাখুন যা সহজে হজম হওয়ার যোগ্য এবং যে সকল খাবার দেহে কম টক্সিন জমতে সহায়তা করে। এতে কিডনির কর্মক্ষমতা সঠিক রাখতে সাহায্য করে থাকে। কিডনি থাকে সুস্থ।

২) নিয়মিত ব্যায়াম

প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিট ব্যায়াম করার অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। নিয়মিত ব্যায়ামের ফলে দেহের সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সচল থাকে এবং দৈহিক সকল কার্যকলাপ সঠিকভাবে হতে পারে। যার প্রভাব কিদনিকেও সুস্থ রাখে।

৩) রক্তের সুগারের মাত্রা সঠিক রাখুন

কিডনির সবচাইতে বড় শত্রু হচ্ছে রক্তের সুগারের মাত্রা। সুগারের মাত্রা যতো বাড়তে থাকবে কিডনি তার কর্মক্ষমতা ততো হারাতে থাকবে। তাই অবশ্যই রক্তের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

৪) পর্যাপ্ত পানি পান করুন

পানি কম পান করা কিডনি সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ। পানির অভাবে কিডনি আমাদের দেহের বর্জ্য নিষ্কাশনের কাজটি ঠিকমতো করতে পারে না এবং তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারায়। তাই দিনে অন্তত ৬-৮ গ্লাস পানি পান করুন।

৫) সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবার কম খান

সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খুব সহজে হজম হতে চায় না এবং সোডিয়াম দেহে জমতে থাকে যা কিডনির কর্মক্ষমতা নষ্ট হতে থাকে।

৬) অনেক ঔষধ খাওয়ার অভ্যাস বর্জন করুন

সামান্য অসুস্থতাতেই অনেক ঔষধ সেবন করা বিশেষ করে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ব্যথানাশক ঔষধ খাওয়ার অভ্যাস কিডনির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই এই অভ্যাসটি বর্জন করুন।

৭) নিয়মিত চেকআপ

কিডনি সমস্যা একেবারে মারাত্মক পর্যায়ে না গেলে ধরা পড়ে না, তাই কিডনিতে কোনো ধরণের সমস্যা অনুভব হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না। ৬ মাসে অন্তত একবার হলেও ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন সাধারণ চেকআপের জন্য।

সূত্র ideadigezt






মন্তব্য চালু নেই