মেইন ম্যেনু

প্রতিদিনের ব্যবহৃত এই ৭টি জিনিস টয়লেটের চেয়েও বেশি নোংরা!

জীবনকে সহজ করতে প্রতিনিয়ত আমরা কত কিছু ব্যবহার করি। এর সবকিছুই কি স্বাস্থ্যকর? আমরা যখন অসুস্থ হয়ে পড়ি, প্রথমে আমাদের চিন্তা আসে খাওয়ার অসাবধানতা কিংবা নিজেদের কোন অসাবধানতার কথা। সবসময় যে খাবারে কারণে অসুস্থ হবেন, এমনটা নয়। প্রতিদিন আমরা এমন কিছু জিনিস স্পর্শ করি যা বাথরুমের চেয়েও বেশি নোংরা! কি অবাক হচ্ছেন? এমন কিছু জিনিস নিয়ে আজকের ফিচার।

১। টুথব্রাশ

নাম শুনে অবাক হচ্ছেন? আমরা যখন ফ্ল্যাশ করি তখন ব্যাকটেরিয়া ৬ ফিট পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে এবং তা দুই ঘন্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা টুথব্রাশেও আক্রান্ত হয়ে পড়ে।

২। মোবাইল

প্রতিনিয়ত ব্যবহৃত ফোনটি জীবাণুর আখড়া। ২০১৩ সালে এক ব্রিটিশ গবেষণায় দেখা গেছে ট্যাবলেটে ৬০০ ইউনিট জীবাণু, মোবাইলে ১৪০ ইউনিট জীবাণু রয়েছে যেখানে টয়লেট সিটে ২০ ইউনিটের কম জীবাণু থাকে! তা আমাদের পেট ব্যথাসহ নানা অসুখের জন্য দায়ী।

৩। রান্নাঘরের স্পঞ্জ

রান্নাঘরে পরিষ্কার কাজে ব্যবহৃত স্পঞ্জ এ প্রতি স্কয়ারে ১০ মিলিয়ন ব্যাকটেরিয়া রয়েছে যা ২,০০,০০০ গুণ বেশি ময়লা বাথরুমের সিটের চেয়ে। স্পঞ্জ ব্যবহার করে হাত ভাল করে পরিষ্কার করে নিতে ভুলবেন না।

৪। কার্পেট

ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত কার্পেটে প্রতি স্কয়ার ইঞ্চিতে ২,০০,০০ ব্যাকটেরিয়া বাস করে। ব্যাকটেরিয়া মৃত ত্বক কোষের উপর বাস করতে পছন্দ করে। তাই কার্পেট নিয়মিত পরিষ্কার করুন।

৫। দরজার হাতল

ঘরে বাইরে সব জায়গাতে আমাদের দরজার হাতল ধরতে হয়। ঘরের বাইরের যেকোনো ধরণের দরজার হাতল আপনার আগে অগনিত মানুষ ধরেছেন, অপরিষ্কার হয়েছে। বিশেষ করে পাবলিক টয়লেট জাতীয় স্থানের দরজার হাতল। সুতরাং সাবধান। ঘরের বাইরে হাত ভালো করে ধোয়ার ব্যবস্থা করতে না পারলে অবশ্যই সাথে রাখুন হ্যান্ড স্যানিটাইজার।

৬। শপিং কার্টস

আজকাল সুপারশপ গুলোতে শপিং করতে গেলে শপিং মলের ঝুড়ি বা শপিং কার্ট ব্যবহার করতে হয়। এই জিনিসটিও মারাত্মক অপরিষ্কার একটি জিনিস। এই জিনিসটি থেকে আপনার হাতে তো জীবাণু প্রবেশ করেই সেই সাথে আপনি কাঁচা কোনো বাজার নিলে তাতেও প্রবেশ করে ব্যাকটেরিয়া।

৭। রেস্টুরেন্টের মেন্যু

রেস্টুরেন্টে গেলে খাবার অর্ডার করার জন্য মেন্যু দেওয়া হয়। আপনি হয়তো ভাবছেন এই মেন্যু কার্ড কেন নোংরা হবে। রেস্টুরেন্টের মেন্যু কার্ড খুব কম সময় পরিষ্কার করা হয়। এতে টয়লেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি ব্যাকটেরিয়া রয়েছে!



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই