মেইন ম্যেনু

প্রতিদিনের ২টি ভুল আপনাকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে!

প্রতিদিনের কিছু অভ্যাস আপনার অজান্তে মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে। কিন্তু, প্রত্যেক দিন সেই বিষয়গুলোকেই অবহেলা করা হয়৷ দৈনন্দিন সেইসব অভ্যাস বদলানো কোনও কঠিন কাজ নয়৷ তবে তার আগে জানতে হবে অভ্যাসগুলো কি৷

১. ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোন দুরে রাখুন
আমাদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে আটজনই ঘুমানোর সময় ফোন বন্ধ করি না৷ অ্যালার্ম দিয়ে ফোনকে বালিশের নিচে নিয়ে শোওয়াও অনেকের অভ্যাস৷ কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন ফোন ও মস্তিষ্কের মধ্যে অল্প তফাত থাকলে তা ঘুমের পরিমাণ ও ঘুমের মান দু’য়ের ওপরেই প্রভাব ফেলে৷ ফোন কাছে নিয়ে শুলে তা আমাদের স্নায়ুকে উত্তেজিত রাখে৷ অবচেতনে আমরা পরের ফোন অথবা ম্যাসেজের জন্য অপেক্ষা করে থাকি৷ যা আমাদের বেশিক্ষণ চোখ বন্ধ করে রাখতে দেয় না৷ তাছাড়া রাতের অন্ধকারে ফোনের স্ক্রিনের আলো মানুষের চোখের রেটিনার পক্ষে ক্ষতিকারক৷ এই আলোই আমাদের মস্তিষ্ককে জানান দেয় ফোন অথবা ম্যাসেজ আসার প্রাথমিক খবর৷ এই আলো তন্দ্রার জন্য প্রয়োজনীয় হরমনকে নিঃসরণ হতে বাধা দেয়৷ যার ফলে আমরা অনেক বেশি সচেতন থাকি৷ মস্তিষ্ক থেকে অন্তত ২০ সেন্টিমিটার দূরে ফোন রেখে ঘুমানো উচিত৷ তাতে ফোনের রেডিয়েশনের প্রভাব ৯৮ শতাংশ কম হয়৷ মারাত্বক এই অভ্যাসটি যদি পরিবর্তন না করেন তাহলে আপনার কঠিন কোন রোগ শরীরে বাসা বাধতে পারে।

২. চেয়ারে সঠিকভাবে বসুন
বিশেষজ্ঞদের মতে পিঠে অথবা ঘারে ব্যথা হওয়ার একটি প্রধান কারণ হল চেয়ারে দীর্ঘক্ষণ ঠিক মতো না বসা৷ অফিসে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় ঠিকমতো না বসে কাজ করলে আমাদের শিরদাঁড়ায় সমস্যা দেখা দেয়৷ এর থেকে তৈরি হয় ব্যাথা৷ বিশেষজ্ঞরা বলছেন চেয়ারে বসে কাজ করার সময় পিছনে একটি সাপোর্ট থাকা খুবই দরকার৷ সোজা হয়ে পায়ের পাতা মাটিতে রেখে বসে কোমরে একটি সাপোর্ট দিয়ে বসা উচিত৷ তা না হলে একসময় আপনার কিডনীর উপর চাপ পড়বে। ফলে আপনার দেহের মূল্যবান ওই যন্ত্রাংশটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

প্রসঙ্গত, উপরে যে দুটি কারণ বর্ণনা করা হলো তা আমাদের মধ্যকার অধিকাংশ মানুষেরই বদ অভ্যাস। এগুলো ছাড়া আরো অসংখ্য ভুল কাজ আছে যেগুলো আমরা প্রতিনিয়ত করে থাকি। যার ফলে আমরা ধীরে ধীরে ক্যান্সারের মতো কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছি।






মন্তব্য চালু নেই