মেইন ম্যেনু

প্রতি রাতে কেন কাঁদতেন কঙ্গনা?

মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খানের একটা বাড়তি তকমা জুটেছে ইদানীং, ছিঁচকাদুনে! অবশ্য প্রায়ই আমিরের প্রতিক্রিয়ায় কান্নাকাটি নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, সেটাও তো ব্যাপার। এই কান্নাকাটির আরেকজন ‘পার্টনার’ পেয়েছেন আমির, তিনি কঙ্গনা রানাউত। আইএএনএসের খবরে জানা গেল, প্রায় রাতেই নাকি কান্নাকাটি করতেন তিনি কিছুদিন আগে।

এই কান্নার কারণ কী? ফেলে আসা জীবন? মানসিক চাপ? নাকি এমন কোনো ঘটনা যা তিনি বলতে চান না? না, এ রকম কিছু নয়, আসন্ন ছবি ‘কাট্টি বাট্টি’ যত কারণ কঙ্গনার অশ্রু বিসর্জনের। এই রোমান্টিক থ্রিলার ছবির চরিত্রের মাঝে নাকি এমনভাবেই ডুবে গিয়েছিলেন কঙ্গনা, শুটিংয়ের সময় প্রতি রাতে সেই অনুভূতিতে কাঁদতেন তিনি।

‘এমন একটা চরিত্রে অভিনয় করা যেকোনো শিল্পীর জন্যই চাপের বিষয়। আর আপনি যদি বয়সে তরুণ হন, তাহলে এটা আপনার মনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলতেই পারে। আমার মনে পড়ে, শুটিং শেষ করার পর প্রতি রাতেই আমি কেঁদে ফেলতাম। তখন আমার মা কাছে আসতেন। আমি তাঁকে পাশে নিয়েও অনেক কিছু ভাবতে ভাবতে আরো কাঁদতাম। আমি এখনো পর্যন্ত যত ছবিতে কাজ করেছি, তার মধ্যে এই চরিত্রটা সবচেয়ে তীব্র ও আবেগপ্রবণ’, এভাবেই নিজের কান্নাকাটির গল্প শোনালেন কঙ্গনা। সবকিছুর মূলে সেই ‘কাট্টি বাট্টি’, যেখানে আর্ট কলেজের এক উচ্ছল শিক্ষার্থী ‘পায়েল’-এর চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

এই ছবিতে কঙ্গনার অভিনয় দেখে কেঁদেছেন আমির খানও। তাঁর কথা উল্লেখ করেন কঙ্গনা, “আমিরের মতো সবাই খুব আবেগী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ছবিটা দেখে। ছবিটা দেখলে মনে হতে পারে নেহাত একটা রোমান্টিক কমেডি, কিন্তু আসলে ঠিক তা নয়। এই ছবিটায় মানুষ এক ধরনের ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ প্রতিচ্ছবি দেখতে পাবে। এই চবিতে চরিত্রগুলোর গভীরতা খুবই ব্যতিক্রম।”

চলতি সময়ের সম্পর্ক নিয়েই গড়ে উঠেছে ‘কাট্টি বাট্টি’র কাহিনী। নিখিল আদভানির পরিচালনায় এ ছবিতে কঙ্গনার বিপরীতে অভিনয় করেছেন ইমরান খান। রোমান্টিক কমেডির আদতে শুরু হলেও এ ছবির কাহিনী ধীরে ধীরে রহস্যেঘেরা থ্রিলারে মোড় নেবে।

“ছবিটা (কাট্টি বাট্টি) ধীরে ধীরে থ্রিলারে রূপ নেবে। হ্যাঁ, এতে গান আছে, এমনকি বেশ কিছু মজাদার মুহূর্তও আছে। তবে আমি এখানে ঠিক অপরাধী-টাইপ কেউ নই, আপনি দেখলে নিজেই বুঝতে পারবেন এই কান্নাকাটি কেন! মানুষজন যখন আমার ছবি দেখে কাঁদে তখন আমার মনে হয়, আমিও যদি এমনটা করতে পারতাম তবে আমার ভালোই লাগত! কারণ আমার জন্য সাধারণত ছবির কোনোকিছুই অবশিষ্ট থাকে না। কিন্তু আমি যখন এই ছবিটা নিজে দেখলাম, মনে হলো এর আবেগটা অনেক অন্যরকম, তীব্র! আমি নিজেও নিখিলকে (পরিচালক) বলেছিলাম, ‘তুমি খুব ইমোশনাল একটা ছবি বানিয়েছো। তবে আমি যদি এটা দেখে কাঁদতে পারি তাহলে সবাই এটা দেখে কাঁদবে”, ছবির বিষয় নিয়ে এভাবেই বলেন কঙ্গনা।

সবশেষে এ নিয়ে খানিকটা মজাও করেছেন, ‘অনেক দর্শক সিনেমাহলে ছবি দেখে কাঁদতে খুব পছন্দ করেন। আমি নিশ্চিত যে এই ছবিটা তাঁদের ভীষণ পছন্দ হবে।’

আগামী মাসের, অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের ১৮ তারিখে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘কাট্টি বাট্টি’।






মন্তব্য চালু নেই