মেইন ম্যেনু

প্রত্যেক জঙ্গির দেহেই ৭-৮টা গুলির চিহ্ন

কল্যাণপুরে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নিহত ৯ জঙ্গির ময়নাতদন্ত শেষ হয়েছে। ডাক্তাররা জানিয়েছে প্রত্যেকেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। প্রতিটি দেহে ৭ থেকে ৮টি করে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।

নিহত জঙ্গিদের ময়না তদন্তে গঠিত ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির প্রধান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) সহকারী অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ বুধবার (২৭ জুলাই) দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন টিমের অপর দুই সদস্য ডা. সোহেল কবীর ও ডা. প্রদীপ বিশ্বাস।

ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন ‘ আমরা সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নিহত ৯ জঙ্গির সুরতহাল রিপোর্ট পাই। এরপর রিপোর্ট পর্যালোচনা করে সকাল সাড়ে ১১টা থেকে ময়না তদন্ত শুরু করি। ১টা ৫৫ মিনিটে ময়না তদন্ত শেষ হয়।’

ময়না তদন্ত সম্পর্কে তিনি জানান, গুলিবিদ্ধ হয়েই জঙ্গিরা মারা গেছে। প্রতিটি দেহে ৭ থেকে ৮টি করে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একজনের দেহ থেকে ৩ রাউন্ড, একজনের দেহ থেকে ২ রাউন্ড এবং অপর দুইজনের দেহ থেকে এক রাউন্ড করে মোট ৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

ডা. সোহেল বলেন, ‘রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য নিহতদের রক্ত, হাড় ও পাকস্থলি থেকে বিভিন্ন ধরনের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। তারা শক্তিবর্ধক বা মাদকজাতীয় কোনো পদার্থ গ্রহণ করেছেন কিনা তা দেখা হবে। এছাড়া ডিএনএ টেস্টের জন্য প্রতিটি দেহ থেকে মাথার চুল, আঙুলের নখের চারি, রক্ত সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। যারা বা যিনি লাশ শনাক্ত করবেন তাদের ডিএনএ পরীক্ষা করে তাদের কাছে কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।’

গুলশানের ঘটনায় সংগৃহীত আলামাতের সঙ্গে এ ঘটনায় সংগৃহীত আলামতের ধরণ ও অবস্থার মিল রয়েছে বলেও জানান ডা. সোহেল মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘আমরা এ পর্যন্ত নিহতদের কোনো আত্মীয় স্বজনের খোঁজ এমনকি তাদের নাম ঠিকানাও পাইনি।’






মন্তব্য চালু নেই